<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>।। নিউজবিএনএন ।। বিশ্বব্যাপী পরিবর্তনের জন্য সাংবাদিকতা ।। &#187; কৃষি</title>
	<atom:link href="http://newsbnn.com/category/agriculture/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://newsbnn.com</link>
	<description>Journalism for Global Change</description>
	<lastBuildDate>Fri, 18 May 2012 12:02:14 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.3.2</generator>
		<item>
		<title>সুন্দরগঞ্জে আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা</title>
		<link>http://newsbnn.com/2011/10/16/77663</link>
		<comments>http://newsbnn.com/2011/10/16/77663#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 16 Oct 2011 09:41:08 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://bangla.newsbnn.com/?p=77663</guid>
		<description><![CDATA[সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে কৃষি বিভাগের গৃহিত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:<br />
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে কৃষি বিভাগের গৃহিত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে ২৬ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে হাইব্রিড ৫০ হেঃ, উফসী ২৪ হাজার হেঃ ও স্থানীয় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর।<br />
উফসী শ্রেণীর অর্জিত জাত বিআর-১১ অর্জিত হয়েছে ১৩ হাজার ২’শ হেঃ। স্বর্ণা ৬ হাজার ৭২০ হেঃ। বিনা-৭ অর্জিত হয়েছে ৭২০ হেঃ। ৪৮০ হেঃ ব্রি- ৩০, ৪৮০ হেঃ ব্রি-৪০, ১২০ হেঃ ব্রি-৪১, ২৪০ হেঃ ব্রি-৪৫, ২৪০ হেঃ ব্রি-৩৪, ৪৮০ হেঃ ব্রি-৪৯, ৬০ হেঃ ব্রি- ৫১, ৬০হেঃ ব্রি-৫২, ১২০ হেঃ ব্রি-৩৯, বঙ্গবন্ধু ধান ০.২৫ হেক্টর অর্জিত হয়েছে।<br />
স্থানীয় জাতের মধ্যে নাইজার শাইল ২৫০ হেঃ, ঢেপা ১২৫ হেঃ, বিন্দিপাকরী ১ হাজার হেঃ, গাঞ্জিয়া ১ হাজার হেঃ, মালশিরা ৩৭.৫ হেঃ, তিলকাপুর ২৫ হেঃ, বাবুই ভোগ ২৫ হেঃ, পানি শাইল ৩৭.৫ হেক্টর।<br />
হাইব্রিড জাতের মধ্যে এসিআই-১ ও ২ অর্জিত হয়েছে ২০ হেঃ করে, হীরা ১০ হেঃ। অর্জিত ধানের বাম্পার ফলনের জন্য সুন্দরগঞ্জ কৃষি বিভাগ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে এলসিসি ব্যবহার হয়েছে ১ হাজার ৪৫ হেঃ জমিতে। এলসিসি পদ্ধতিতে ধানের পাতার রং মেপে ইউরিয়া সার ব্যবহার করায় ৩০-৪০% সাশ্রয় হয় এবং ৫-১০% ফলন বৃদ্ধি পায়। এজন্য কৃষি বিভাগ কৃষক পর্যায়ে ১ হাজার ৮৯ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ দিয়ে এলসিসি বিতরণ করেছে। এরমধ্যে ব্যবহার হয়েছে  ৯৯০ টি এলসিসি।<br />
অনুমোদিত দুরত্ব ও লাইনে চারা রোপন করা হয়েছে ৯ হাজার ৯৫০ হেঃ জমিতে। এ পদ্ধতিতে চারার পরিচর্যা বা নিড়ানিতে শ্রমিক কম লাগে। ফলে কৃষকের সাশ্রয় হয় এবং ফলনও বৃদ্ধি পায়।<br />
সুষম সার ব্যবহার হয়েছে ১৬ হাজার হেঃ জমিতে। উৎপাদন বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে পার্চিং (ডালপোতা) করা হয়েছে ২০ হাজার ৬’শ হেক্টর জমিতে। কম্পোষ্ট সার প্রস্তুত হয়েছে ৪৭৫ টি। সবুজ সার প্রয়োগ হয়েছে ২০ হেঃ জমিতে। বাদামী রংয়ের গাছে ফড়িংয়ের উপস্থিতি জানার জন্য এপর্যন্ত ১৯৮ টি আলোক সজ্জা স্থাপন করা হয়েছে।<br />
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আফতাব হোসেন জানান, আমনের বাম্পার ফলনের জন্য যখন যা প্রয়োজন তাই করা হয়েছে। অনুকুল আবহাওয়া থাকলেই কৃষকরা আশানুরূপ ফলন ঘরে তুলতে পারবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://newsbnn.com/2011/10/16/77663/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নতুন আগাছা ‘পার্থেনিয়াম’ ফসলের ফলন কমায় ৪০ শতাংশ</title>
		<link>http://newsbnn.com/2010/10/22/25973</link>
		<comments>http://newsbnn.com/2010/10/22/25973#comments</comments>
		<pubDate>Fri, 22 Oct 2010 11:13:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsbnn.com/?p=25973</guid>
		<description><![CDATA[ফসলের ফলন ৪০ শতাংশ উৎপাদন কমানো; মানুষের এ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, চর্মরোগসহ গবাদিপশুর বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ফসলের ফলন ৪০ শতাংশ উৎপাদন কমানো; মানুষের এ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, চর্মরোগসহ গবাদিপশুর বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে ‘পার্থেনিয়াম আগাছা’। আমাদের কাছে এসব তথ্য এতদিন অজানা থাকলেও এমনই সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.এস.এম. রেজাউল করিমের গবেষণালদ্ধ ফলাফল থেকে। গত বছর এপ্রিলে খুঁজে পাওয়া ‘পার্থেনিয়াম আগাছা’ নিয়ে নিরলস গবেষণার পর ফসল, মানুষ ও গবাদি পশুর উপর এর বিরুপ প্রভাবের চিত্র বেরিয়ে এসেছে।<br />
জানা যায়, ‘পার্থেনিয়াম আগাছা’ নরম পাতা ও শাখা-প্রশাখা যুক্ত কান্ড বিশিষ্ট একবর্ষজীবি বীরুৎ  উদ্ভিদ।  সারা বছরই এ আগাছা জন্মায় তবে গ্রীষ্মকাল এর জন্য বেশি উপযোগী। সাধারণত ২ মিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশের কোথাও কোথাও এ আগাছা নাকফুলী বলে পরিচিত। মেক্সিকোয় সর্বপ্রথম পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে ভারত থেকে এ আগাছাটি আমাদের দেশে বিস্তার লাভ করে। আমাদের দেশে প্রথমবারের মত গত বছর এপ্রিলে এ আগাছাটি খুঁজে পাওয়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চালিয়েছেন বাকৃবির অধ্যাপক ড. এস. এম. রেজাউল করিম ও তাঁর সাথে ছিলেন বারি’র (ইঅজও) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বি এল নাগ এবং কৃষিতত্ত্ব বিভাগের এমএস এর তিন ছাত্র । গবেষণায় তারা খুজে পেয়েছেন মানুষ, ফসল ও গবাদি পশুর উপর এর বিরুপ প্রভাবের নমুনা।<br />
ফসলের উপর ‘পার্থেনিয়াম আগাছা’ এর প্রভাব নিয়ে আলাপ কালে ড. করিম জানান, এ আগাছা ফসলের উৎপাদন প্রায় চল্লি¬শ শতাংশ কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে ভূট্টার ক্ষেত্রে এ আগাছা ফল ধরার পর প্রাথমিক অবস্থায় মোচার ফল ধারণ ক্ষমতা ত্রিশ শতাংশ হ্রাস করে। এছাড়া ধান, ছোলা, সরিষা, গম, বেগুন, এবং মরিচের ক্ষেত্রে এ আগাছা বীজের অঙ্কুরোদগম ও বৃদ্ধি কমিয়ে দিয়ে ফসলের ফলন অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।  ড. করিম আরও জানান, শুধু ফসল উদ্ভিদ নয়, মানুষ পশু-পাখিও এ আগাছার মাধ্যমে নানা রোগে আক্রান্ত হয়। এ আগাছা হাত-পায়ের ত্বকের সংস্পর্শে আসলে চামড়া পোড়া  রোগের সৃষ্টি হয়। ফুলের পরাগরেনু নাকে ঢুকলে এ্যজমা ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি শ্বাস-কষ্ট রোগের উৎপত্তি হয়। তাছাড়া হে-ফিভার (সর্দ্দি-কাশি ও মাথা ধরা), অতিরিক্ত কাশি এবং নাক দিয়ে পানি জরা ইত্যদি রোগের কারণ হিসাবে পার্থেনিয়াম দায়ী বলে পরীক্ষা করে জানা গেছে। ভারতের পুনা এলাকায় এ যাবৎ মোট ১২ জন লোক এ আগাছার আক্রান্তের কারনে (এ্যাজমা ও ফ্লু হয়ে) মারা যায়। এছাড়া ‘পার্থেনিয়াম আগাছা’ যুক্ত মাঠে গবাদিপশু চরাণো হলে পশুর শরীর ফুলে যাওয়া, তীব্র জ্বরসহ নানা রোগে আক্রন্ত এবং বদ হজম দেখা দেয়।<br />
‘পার্থেনিয়াম আগাছা’ এর বিস্তৃতি প্রসঙ্গে ড. করিম বলেন, এ আগাছা আমাদের দেশে বিভিন্ন জেলায় দেখা যায়, তবে যশোর, ফরিদপুর, রাজশাহী, নাটোর, ঢাকা এবং ময়মনসিংহ জেলায় এর প্রাদূর্ভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়। এ আগাছাটি খুব সহজেই পানি, মেশিনারী শস্য বীজের মাধ্যমে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে দিন দিন নতুন এলাকা এ আগাছা দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে।<br />
কিভাবে এ আগাছার আক্রমন রোধ করা যায় তার উত্তরে তিনি জানান, সর্ব প্রথমে জনসচেতনার প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। এছাড়া কোন যানবাহন ‘পার্থেনিয়াম আগাছায়’ আক্রান্ত এলাকা দিয়ে অতিক্রম করার পর ভালভাবে তা ধুয়ে ফেলতে হবে, সেই সাথে বীজ ক্রয়-বিক্রয় কিংবা গবাদিপশুর খাবার খড়/ঘাস ক্রয়ের ক্ষেত্রেও নজরদারি বাড়াতে হবে। তাছাড়া জৈবিক দমন প্রক্রিয়া- তথা বিভিন্ন ধরনের পাতা বা ঘাস খেকো পোঁকার মাধ্যমেও এ আগাছা দমন করা যায়। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তথা আগাছা নাশক ব্যবহার করেও এআগাছা দমন করা যায়। এক্ষেত্রে ব্রোমাসিল (ইৎড়সধপরষ), ডায়ইউরোন (উরঁৎড়হ), টারবাসিল (ঞবৎনধপরষ) প্রতি হেক্টরে দেড় কেজি অথবা ডাইকুয়াট (উরয়ঁধঃ) আধা কেজি ৫০০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি হেক্টরে প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া প্রতি হেক্টরে দুই কেজি ২.৪ ডি সোডিয়াম লবন (২.৪ উ ংড়ফরঁস ংধষঃ) অথবা এমসিপিএ (গঈচঅ) ৪০০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ¯েপ্র  করেও এ আগাছা দমন সম্ভব বলে ড. করিম উলে¬খ করেন।<br />
জরুরী ভিত্তিতে পার্থেনিয়াম দমনের উপর বিস্তারিত গবেষেণা শুরু করা উচিত, তা না হলে ভারতের মত অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশের সব এলাকায় এ আগাছা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে মানব জীবনে ব্যপক ক্ষতির সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p>প্রতিবেদন : আব্দুস সালাম সাগর<br />
সম্পাদনা : এম খায়রুল হাসান</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://newsbnn.com/2010/10/22/25973/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাকৃবি-র কৃষি জাদুঘর দেশের একমাত্র কৃষি উপকরণ ও প্রযুক্তির বিরল সংগ্রহশালা</title>
		<link>http://newsbnn.com/2010/07/07/8623</link>
		<comments>http://newsbnn.com/2010/07/07/8623#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 07 Jul 2010 03:33:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গণ]]></category>
		<category><![CDATA[agro-museam]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsbnn.com/?p=8623</guid>
		<description><![CDATA[<img class="alignleft size-full wp-image-8624" title="agri-tools" src="http://www.newsbnn.com/wp-content/uploads/2010/07/agri-tools.jpg" alt="" width="226" height="158" />আব্দুস সালাম সাগর, নিউজ বিএনএন, বাকৃবি : কৃষিই মানব সভ্যতার সূচনা ও বিবর্তনের ধারায় ওতপ্রোতভাবে]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.newsbnn.com/wp-content/uploads/2010/07/agri-tools.jpg"><img class="alignleft size-full wp-image-8624" title="agri-tools" src="http://www.newsbnn.com/wp-content/uploads/2010/07/agri-tools.jpg" alt="" width="226" height="158" /></a>আব্দুস সালাম সাগর, নিউজ বিএনএন, বাকৃবি : কৃষিই মানব সভ্যতার সূচনা ও বিবর্তনের ধারায় ওতপ্রোতভাবে জড়িত । সভ্যতার ক্রমবিবর্তনের সাথে সাথে কৃষি উপকরণ ও প্রক্রিয়া পদ্ধতির আধুনিকায়ন ও উদ্ভাবনে পাল্টে গেছে কৃষির ঐতিহ্য ও কৃষ্টি। কৃষি সভ্যতার সূচনা ও বিবর্তনের এই ইতিহাস, কালের ধারায় ঐতিহ্যমন্ডিত বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ও প্রযুক্তিসমূহ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া ওইসব কৃষি ঐতিহ্য ও উপকরণ সংরক্ষণের সর্বপ্রথম উদ্যোগ গ্রহন করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) । এ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই ২০০২ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গড়ে উঠে দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক জাদুঘর।</p>
<p>২০০২ সালের ১০ মার্চ দেশের প্রথম এই কৃষিভিত্তিক জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলেও কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া কৃষি ঐতিহ্য ও উপকরণ সংরক্ষণের লক্ষ্য নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ জুন বাকৃবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসাইন মিঞা’র উদ্ভোধনে এ জাদুঘরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ৬৩৫০ বর্গফুট আয়তনের আট বাহু বিশিষ্ট দ্বিতল ভবনের প্রথম ধাপে একতলার নির্মাণ কাজের জন্য মোট ব্যয় হয় প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকা।</p>
<p>২০০৭ সালে চালু হওয়া এই জাদুঘরে এখনো চলছে কৃষি সম্পর্কিত ঐতিহ্যের সংরক্ষণ কাজ। সীমিত পরিসরে হলেও এ জাদুঘরটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আবহমান গ্রাম বাংলার কৃষিজ সংস্কৃতিতে ব্যবহৃত কৃষি কাজের নিদর্শন, বিশেষ করে- বাঁশ ও বেতের তৈরি টুকরি, ওচা, মাথলা, বাঁশের তৈরি বাঁকসহ ঝুড়ি, বাঁশের তৈরি টুরং, কুরুম, তেরা, খালই, গরুর ঠোয়া, বিভিন্ন ধরণের হুক্কা, বাঁশের তৈরি চালুন, কুলা, ডুলি, লাঙ্গল, জোয়াল, মই, কোদাল, দা, নিড়ানী, কাস্তে, কাঠের তৈরি ঢেঁকি, পলো, চেং, বাইর, উড়ি, সানকি, বিজয়পুরের চীনা মাটি, এঁটেল মাটি, দুআঁশ মাটিসহ বিভিন্ন ধরণের মাটি, জীবাণু সারসহ বিভিন্ন ধরণের সার, বাকৃবি, পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বিভিন্ন  কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাতের ধান, পাট, ডাল, ছোলা, সরিষা, টমেটো, বাদামসহ বিভিন্ন ধরণের শস্য বীজ, বিলুপ্ত প্রায় প্রজাতির বিভিন্ন ধরণের মাছ, অপরাপর অনুষদ ভিত্তিক বিভিন্ন কৃষি উপকরণ, সয়েল টেস্টিং কিট, ইনসেক্ট কালেক্টিং বক্স, বিবর্তনের ধারায় যান্ত্রিক কৃষি কাজের মডেল, পাহাড়ি চাষাবাদ পদ্ধতিসহ কৃষি কাজের বিভিন্ন মডেল। রয়েছে অজগর সাপ, জাতিসাপসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীর কঙ্কাল, মাটির তৈরি বাঘসহ গ্রাম বাংলার কৃষকদের ব্যবহৃত এবং বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন কৃষি উপকরণ।</p>
<p>যাদুঘরটির বিশেষ আকর্ষণ, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মাঝে ব্যবহৃত প্রথম মাইক্রো কম্পিউটার। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মাঝে বাকৃবিতেই সর্বপ্রথম মাইক্রো কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটার জগতে প্রবেশ করে। ১৯৮০ সালে সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কোর্স অধ্যয়নের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ১৯৮১ সালে বাকৃবি’র প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রক্রিয়া কাজে সর্বপ্রথম এটি ব্যবহৃত হয়। মাইক্রো কম্পিউটারটি সঙ্গে ব্যবহৃত প্রিন্টারটিও এখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়াও দেশে কৃষি শিক্ষায় সর্বপ্রথম  ব্যবহৃত বিভিন্ন মডেলের কয়েকটি ক্যালকুলেটরও এখানে স্থান পেয়েছে।</p>
<p>কালের ধারায় কৃষির আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে আমাদের জাতীয় নের্তৃবৃন্দের ভূমিকাও কম নয়। অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৩৮ সালের ১১ ডিসেম্বর পূর্ব বাংলার কৃষি শিক্ষার উন্নয়নে ঢাকায় কৃষি ইনস্টিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা মিছিল ছাড়াও ১৯৯২ সালে ‘লাঙ্গল যার জমি তার’ স্লোগান তুলেছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে ১৪০০ খাল খনন কর্মসূচিসহ কৃষিতে বিপ্লব আনার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। কৃষিবিদদের সর্বপ্রথম প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড মর্যাদা দান করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জাদুঘরে স্থান পেয়েছে জাতীয় এই চার নেতার প্রতিকৃতি। এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সব উপাচার্যের ছবিও স্থান পেয়েছে জাদুঘরটিতে। দেশের একমাত্র এ কৃষি জাদুঘরটি যেন হয়ে উঠেছে কৃষি উপকরণ ও প্রযুক্তির বিরল সংগ্রহশালা ।<br />
(বিএনএন/প্রতিনিধি/ কেএইচ)</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://newsbnn.com/2010/07/07/8623/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মৌসুমের শুরুতেই রাজশাহীর কৃষকরা পাট নিয়ে বিপাকে</title>
		<link>http://newsbnn.com/2010/07/06/8441</link>
		<comments>http://newsbnn.com/2010/07/06/8441#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Jul 2010 06:31:55 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[jute]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsbnn.com/?p=8441</guid>
		<description><![CDATA[<img src="http://www.newsbnn.com/wp-content/uploads/2010/07/jute.jpg" alt="" title="jute" width="69" height="78" class="alignleft size-full wp-image-8442" />হারুন রশিদ, রাজশাহী, নিউজবিএনএন ডটকম : মৌসুমের শুরুতেই পাট কেটে বিপাকে পড়েছে রাজশাহীর কৃষকরা। পর্যাপ্ত]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.newsbnn.com/wp-content/uploads/2010/07/jute.jpg"><img src="http://www.newsbnn.com/wp-content/uploads/2010/07/jute.jpg" alt="" title="jute" width="69" height="78" class="alignleft size-full wp-image-8442" /></a>হারুন রশিদ, রাজশাহী, নিউজবিএনএন ডটকম : মৌসুমের শুরুতেই পাট কেটে বিপাকে পড়েছে রাজশাহীর কৃষকরা। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাট জাগ দেয়ার মত জলাশয় না থাকায় বিপাকে পড়েছেন তারা। পানির অভাবে পাট জাগ দেয়া যাচ্ছেনা।<br />
অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার রাজশাহী জেলায় পাটের চাষ হয়েছে গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ জমিতে। পাট চাষীরা এখন পাট কাটার অপোয় রয়েছেন। অনেকে জমি ফাঁকা করার জন্য পাট কেটে ফেলছেন। তবে কাটা পাট জাগ দিতে পারছেন না। কারণ পুকুর জলাশয়ে জাগ দেয়ার মত এখনো পানি জমেনি। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন এ অঞ্চলের কৃষক।</p>
<p>রাজশাহী আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়,  এবার জেলায় ৯ হাজার ১শ ৮৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের ল্যমাত্রা ধরা হলেও দ্বিগুণ জমিতে পাট চাষ হয়েছে। গত বছর রাজশাহী জেলায় ৬ হাজার ৫শ ৪০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিল।</p>
<p>জেলার পবা উপজেলার তেঘর গ্রামের পাটচাষী সিরাজ উদ্দিন সরকার বলেন, এবার পাট উৎপাদন আগের যে কোন বছরের চেয়ে বেশি হবে। তবে সময়মত জাগ দিতে না পারলে আশা ভেস্তে যেতে পারে বলে তিনি আশংকা করেন। একই উপজেলার বড়গাছী গ্রামের (পাট চাষে রাষ্ট্রপতি পদক প্রাপ্ত) কৃষক আব্দুর রহিম সরকার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সরকারকে তথ্য প্রযুক্তির সাথে সাথে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। </p>
<p>তিনি বলেন, শুধু পাট নয়, প্রতিটি ফসলের দাম সরকারিভাবে নির্ধারণ করতে হবে। তাহলে কৃষক উৎসাহী হবে। কৃষি েেত্রর আওতাও বাড়বে। তিনি বলেন, এখনো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়নি। এ কারণে পুকুর ডোবা কিংবা জলাশয়ে পাট জাগের মত পানি জমেনি। সময়মত কাটাপাট পচাতে না পারলে কাঙ্তি দাম কৃষক পাবেনা বলে তিনি আশংকা করেন।</p>
<p>রাজশাহী কৃষি স¤ক্স্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মহসিন মিয়া জানান, এখন পাট জাগের জন্য জলাশয় কিংবা পুকুর ডোবাভর্তি পানি দরকার। ভরা আষাঢ়েও রাজশাহী অঞ্চলে তেমন ভারি বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আগাম পাট কাটা থেকে কৃষকদের একটু অপো করার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি বলেন, আগে পাট জাগের জলাশয় ঠিক করার পরই পাট কাটার চিন্তা করতে হবে। বেশিদিন জমিতে পাট থাকলে খুব একটা তি হবে না বলে তিনি জানান।<br />
(বিএনএন/এইচআর/এমআর/১২:১০ ঘ)</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://newsbnn.com/2010/07/06/8441/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বাঘায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গম কেনার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ কৃষক</title>
		<link>http://newsbnn.com/2010/05/08/93</link>
		<comments>http://newsbnn.com/2010/05/08/93#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 08 May 2010 14:47:13 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[কৃষি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsbnn.com/?p=93</guid>
		<description><![CDATA[সরকারি ক্রয়নীতি লঙ্ঘন করে রাজশাহীর বাঘার খাদ্যগুদামে কৃষকদের বাদ দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গম কেনার]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারি ক্রয়নীতি লঙ্ঘন করে রাজশাহীর বাঘার খাদ্যগুদামে কৃষকদের বাদ দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গম কেনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কৃষকেরা বলছেন, তাঁদের গম খাদ্যগুদামের সামনে পড়ে নষ্ট হয়েছে। অথচ এই সময়ে কেনা হয়েছে ব্যবসায়ীদের গম।<br />
তবে বাঘা উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নরোত্তম প্রামাণিক এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সরকারি ক্রয়নীতি অনুযায়ী, গম কৃষকদের কাছ থেকে কিনতে হবে সর্বোচ্চ দুই টন পর্যন্ত।<br />
বাঘার কলিগ্রামের কৃষক জামান, গত ১৫ এপ্রিল গম কেনার উদ্বোধনী দিনেই তাঁরা তিনজন তাঁদের গম গুদামের বাইরে স্তূপ করে রাখেন। তাঁদের সামনেই ব্যবসায়ীদের গম কেনা হলেও তাঁদের গম পড়ে থেকে বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গোপনে অর্থ নিয়ে তাঁদের গমই কিনেছেন।<br />
রাকিব নামের এক কৃষকের অভিযোগ, ১৯ এপ্রিল থেকে তাঁর গম গুদামের সামনে ছিল। খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে টনপ্রতি ১০০ টাকা, কর্মচারীদের ২০ টাকা এবং উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার জন্য ৬০ টাকা করে না দেওয়ায় তাঁর গম নেওয়া হয়নি। ৪ মে তিনি তাঁর গম সরিয়ে নিয়েছেন।<br />
২৮ এপ্রিল বাঘা খাদ্যগুদামে গিয়ে দেখা যায়, গুদামের বাইরে শত শত বস্তা গম পড়ে রয়েছে। কিছু কৃষক ত্রিপল দিয়ে গমের বস্তা ঢেকে রেখেছেন। যাঁরা ঢাকতে পারেননি, তাঁদের গম বৃষ্টিতে ভিজে গেছে। গুদামের সামনেই এই গম তাঁরা শুকাতে দিয়েছেন। গুদামের রেজিস্টারে দেখা যায়, ২৫ এপ্রিল সর্বোচ্চ পরিমাণ ২০৮ টন গম কেনা হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ।<br />
অভিযোগের ব্যাপারে মুঠোফোনে নরোত্তম প্রামাণিক বলেন, ৮০৭ টন গম কেনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ায় আপাতত আর গম কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি টাকা নিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গম কেনার কথা অস্বীকার করে বলেন, যাঁরা আগে এসেছেন, তাঁদের গম আগে নেওয়া হয়েছে। এক রাতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গম কেনার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।<br />
রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রবিউল ইসলাম বলেন, উপজেলা ক্রয় কমিটির স্লিপের মাধ্যমেই তাঁরা গম কিনছেন। উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের ব্লক সুপারভাইজাররা যাঁদের কৃষক হিসেবে শনাক্ত করছেন, তাঁদের গমই কেনা হচ্ছে।<br />
রাজশাহীর ১২টি খাদ্যগুদামে এবার তিন হাজার ৮২৭ টন গম কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১০টি গুদামে গম কেনা শেষ হয়েছে। বাকি দুটি বাগমারা ও গোদাগাড়ী খাদ্যগুদামে গম কেনা চলছে। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://newsbnn.com/2010/05/08/93/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

<!-- Performance optimized by W3 Total Cache. Learn more: http://www.w3-edge.com/wordpress-plugins/

Served from: newsbnn.com @ 2012-05-18 18:12:27 -->
