Archive for the ‘রাজনীতি’ Category

জয়ই শেষ না, সামনে আরো জয় আছে: সুরঞ্জিত

Wednesday, June 19th, 2013

zasdনিউজ বিএনএন ডটকম: সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচনে দলীয় সরকার বাধা নয় এমন দাবি করে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি যতই জয় লাভ করছে, বিএনপি ততই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রশ্নে হারছে। মনে রাখতে হবে এই জয়ই শেষ না,সামনে আরো জয় আছে।

বুধবার দুপুরে গণগন্থাগারে ভাষা সৈনিক গাজীউল হকের ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ঢাকা জেলা শাখা আয়োজিত ‘অসাংবিধানিক  ও অগণতান্ত্রিক সরকারের প্রয়োজন নেই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে যারা উল্লাস করছে তাদের সমালোচনা করে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচনে খালেদা জিয়াও যান নি, শেখ হাসিনাও যান নি। সেখানে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে কেউ নির্বাচন করে নি। মানুষ স্থানীয় প্রতিনিধিকে বিবেচনা করে ভোট দিয়েছে। সেখানে দল নয় ব্যক্তি পরাজিত হয়েছে।’

‘সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াত-শিবির যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে ঘরে ঘরে গিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে মায়া কান্না করেছে’ অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘তারা ধর্মকে কার্ড হিসেবে ব্যবহার করেছে। আস্তিক-নাস্তিককে কার্ড হিসেবে ব্যবহার করেছে। এ বিষয়গুলো গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য শুভ নয়।’

এ সময় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি এড. তারানা হালিমকে হত্যার হুমকির ঘটনায় তিনি নিন্দা জানান।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি মোবারক আলী শিকদারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

বিরোধী দলকে দমন করতেই সন্ত্রাস বিরোধী আইন:গোলাম মোস্তফা ভুইয়া

Wednesday, June 19th, 2013

napনিউজবিএনএন ডটকম: বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, বিরোধী দলকে দমন করতেই সন্ত্রাস বিরোধী আইন ।বুধবার সকালে সংগঠনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রদল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বিরোধী দল দমনে সরকার কর্তৃক সন্ত্রাস বিরোধী আইন প্রনয়ন করায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করে বলেছেন, সন্ত্রাস দমনের এই আইন সম্পূর্ণ সংবিধান পরিপন্থি। সংবিধান ও নাগরিক অধিকার পদদলীত করে পাশ করা সন্ত্রাস দমন বিরোধী আইন বিরোধী দল দমনে ব্যবহৃত হবে। এই আইন প্রনয়নের মাধ্যমে সরকার দেশের জনগনকে শত্র“ হিসাবে আগাম চিহ্নিত করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে না। সংবিধান পদদলীত করে চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। তাই আজ ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে বর্তমান ফ্যাসীবাদী সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বিতর্কিত ‘টিকফা’ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সরকারের তৎপরতায় জাতি উদ্বিগ্ন। ‘টিকফা’ চুক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় অস্তিত্বের জন্য চরম হুমকি। দেশের জনগন কোনভাবেই এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ বিরোধী চুক্তি মেনে নিতে পারে না।

তিনি মন্ত্রী পরিষদ বৈঠকে মার্কিনীদের সাথে ‘টিকফা’ চুক্তি অনুমোদন করায় গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করে জাতীয় স্বার্থ, মার্কিন প্রলোভন ও চাপ উপেক্ষা করে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী টিকফা চুক্তি সম্পাদন থেকে সরকারকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে এম.এন. শাওন সাদেকী বলেন, রাষ্ট্র বিরোধী ‘টিকফা’ চুক্তি ও সংবিধান বিরোধী সন্ত্রাস বিরোধী আইন প্রতিরোধে ছাত্র সমাজকে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মনে রাখতে দেশ-জাতির সকল সংকটকালেই ছাত্র সমাজ ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। আজ যদি ছাত্র সমাজ সে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে ইতিহাসের দায় থেকে মুক্ত পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রদল সভাপতি এম.এন. শাওন সাদেকীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সোলায়মান সোহেলের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ন্যাপ প্রেসিডিয়াম সদস্য সুব্রত বারুরী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ শাহজাহান সাজু, স্বপন কুমার সাহা, নগর সাধারন সম্পাদক মোঃ শহীদুননবী ডাবলু, ভাসানী সাহিত্য-সাংস্কৃতিক পরিষদ সাধারন সম্পাদক মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, জাতীয় ছাত্রদল নেতা মোমিনুল হক ফকির, সরজিৎ কুমার দ্বিপ, মেহেদী হাসান আপন, এম.এ. জি সোহেল, শামসুল ইসলাম সাদেকী প্রমুখ।

গাসিক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর

Wednesday, June 19th, 2013

gasikনিউজবিএনএন ডটকম: শেখ হাসিনার আশ্বাসে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। মঙ্গলবার রাতে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠক শেষে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার ছিল প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। কিন্তু সেদিন তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেননি।

জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীর আলমকে গণভবনে ডেকে পাঠান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় হাইকমান্ড তাকে দলের স্বার্থে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের কথা বলেন। দলীয় প্রধানের নির্দেশের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সরে পরে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন জাহাঙ্গীর আলম। এসময় তাকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজমত উল্লাহ খানের পক্ষে কাজ করার জন্য বলা হয়।

যদিও এর আগে তাকে প্রার্থীতা তুলে নিতে দলের শীর্ষ নেতারা কয়েক দফা বুঝিয়ে ছিলেন। কিন্তু কারও কথাই শুনেননি তিনি।

এদিকে বৈঠক থেকে বেরিয়ে আজমত উল্লাহ খান বলেন, “নেত্রীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। দলের সবার মতামতের ভিত্তিতে বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

গতরাত দশটায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন-যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, সিমিন হোসেন রিমি এমপি, মেয়র প্রার্থী আজমতউল্লাহ খান ও জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

প্রমাণ পেলেই আবুল হোসেনকে আসামী:গোলাম রহমান

Wednesday, June 19th, 2013

golনিউজবিএনএন ডটকম: পদ্মাসেতু দুর্নীতির যে অভিযোগ করেছে বিশ্বব্যাংক, তাতে সাবেক যোগযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের দুর্নীতি যড়যন্ত্রের প্রমাণ পেলে তাকে আসামী করা হবে। এর জন্য মামলা পরবর্তী তদন্তের জন্য অপেক্ষ করবে দুদক। জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান।

দুদকের মতে, এর আগে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও দালিলীক প্রমাণের ভিত্তিতেই সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। দুদক বর্তমানে মামলা পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে দুদকের দুই সদস্যের একটি দল গত মে মাসে কানাডাও গেছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের জবাবে গোলাম রহমান গণমাধ্যমকে আরও জানান, বিশ্বব্যাংকের এক্সপার্ট প্যানেল  যেসব আপত্তি তুলেছে সেগুলোর ব্যাখাও ইতিমধ্যে আমরা দিয়েছি। প্রতিবেদনের মূল পয়েন্ট সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনকে কেনো আসামি করা হয়নি। তাদের এ আপত্তির জবাব আমরা স্পষ্টভাবে দিয়েছি। তিনি বলেন, দুদক এখনও আবুল হোসেনকে আসামি করার মতো তথ্য-উপাত্ত পায়নি। তবে তথ্য-উপাত্ত পেতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

চার সিটি নির্বাচনে পরাজিতরা ভোটারদের মন জয়ে ব্যর্থ

Tuesday, June 18th, 2013

hanifনিউজবিএনএন ডটকম: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ চার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোট প্রার্থীদের পরাজয় সম্পর্কে বলেছেন, “পরাজিত প্রার্থীরা তাদের ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ভোটারদের মন জয়ে ব্যর্থ হয়েছে। ভোটারদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা পরাজিত হতে পারেন। তবে নির্বাচন হয়েছে অবাধ ও সুষ্ঠু।”মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এরপর বেলা ১১টায় মাহবুব-উল আলম হানিফ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমির অসচ্ছল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে।

বিরোধী দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিকে অসাংবিধানিক আখ্যায়িত করে হানিফ বলেন, “বর্তমান সরকারের সময়ে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে বলেই সদ্য সমাপ্ত চারটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে বিরোধী দল স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেছে।”

তিনি আশা করেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একইভাবে বিরোধী দল অংশ নেবে।

অনুষ্ঠানে জেলার ৮৪ জন অসচ্ছল সাংস্কৃতিক ব্যক্তির মধ্যে ১০ লাখ ৬৩ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন হানিফ।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক জাহিদ হোসেন জাফর, কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী প্রমুখ।

গাসিক নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

Tuesday, June 18th, 2013

gasikনিউজবিএনএন ডটকম: গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী এডভোকেট আজমত উল্লাহ খান পেয়েছেন দোয়াত-কলম, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী এম এ মান্নান টেলিভিশন এবং সম্মিলিত নাগরিক কমিটি সমর্থিত ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সদ্য পদত্যাগকারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন আনারস প্রতীক।

মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রার্থীদের মধ্যে এ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।

এদিকে সোমবার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ২ জন মেয়র প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র তুলে নেন। এরা হলেন- জাতীয় পার্টির কাজী মাহমুদ হাসান ও ইসলামী ফোরামের মাওলানা ফজলুর রহমান।

বর্তমানে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেন ৬ প্রার্থী। তবে এ নির্বাচনে ১৪ দল সমর্থিত প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আজমত উল্লাহ খান ও ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী বিএনপি নেতা এম এ মান্নানের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমও প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন। এর ফলে শেষ পর্যন্ত বিএনপি সমর্থিত এক জন প্রার্থীর বিপরীতে আওয়ামী লীগের লড়ছেন ২ জন।

২২ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনর তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৬ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নাট্যকার আতিকুল হকের মৃত্যুতে বিএনপি চেয়ারপার্সনের শোক

Tuesday, June 18th, 2013

khaleda8নিউজবিএনএন ডটকম: দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, খ্যাতিমান ও জনপ্রিয় নাট্যকার আতিকুল হক চৌধুরী সোমবার রাত ৯-৩০ টায় রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

এক শোকবার্তায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, “সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কীর্তিমান পূরুষ এবং জনপ্রিয় নাট্যকার আতিকুল হক চৌধুরীর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।”

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, নাট্য রচনায় অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য মরহুম নাট্যকার আতিকুল হক চৌধুরী দেশের মানুষের মনে চিরজাগরুক হয়ে থাকবেন। অমর এই নাট্যকারের ইন্তেকালে দেশের নাট্য জগতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হলো তা সহজে পুরণ হবার নয় বলেও বিএনপি চেয়ারপার্সন উল্লেখ করেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মরহুম আতিকুল হক চৌধুরীর বিদ্রোহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যবর্গ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, ভক্ত, গুনগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

অপর এক শোকবাণীতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মরহুম আতিকুল হক চৌধুরীকে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজন স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব বলে উল্লেখ করে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ, আত্মীয়স্বজন ও ভক্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শাপলা চত্বরে সমাবেশ করবে ১৮ দলীয় জোট

Tuesday, June 18th, 2013

18jotনিউজবিএনএন ডটকম: চলতি সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার আগেই সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে আবারো বড় ধরনের কর্মসূচিতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধানে পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে সমাবেশ করবে তারা।

রাজধানীর শাপলা চত্বরে এ সমাবেশ করার পরিকল্পনা করছে বিরোধী জোট। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন ও ১৮ দলীয় জোট নেতা খালেদা জিয়া উপস্থিত থাকবেন।

জোটের একাধিক নেতা জানান, শাপলা চত্বরে সমাবেশ করার অনুমতি চাইবে ১৮ দল, সরকার যদি শাপলা চত্বরে অনুমতি না দেয় তাহলে পল্টন মোড়ে সমাবেশ করবে তারা। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে সমাবেশ করা হবে।

নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে এরই মধ্যে জেলায় জেলায় গণসংযোগ করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে যাতে কোনো কোন্দল না থাকে সেজন্য জ্যেষ্ঠ নেতারা মাঠে নামছেন।

সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৮ দলের মহাসচিব পর্যায়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক থেকে ২২ জুন সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকের এ কর্মসূচির কথা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচির পর থেকে শাপলা চত্বরে আর কোনো সমাবেশের অনুমতি না দেয়ার ব্যাপারে সংসদে আলোচনা হয়েছে। ব্যাংক ডাকাতির অভিযোগ আনা হয়েছে। যে কারণে শাপলা চত্বরে যদি সমাবেশের অনুমতি না দেয় তাহলে সরকারের প্রতি কোনো চাপ সৃস্টি করবে না জোট নেতারা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘নেত্রী (খালেদা জিয়া) সিঙ্গাপুর থেকে এলে সমাবেশের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। তবে সামনে রোজা থাকায় তার আগে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

গত ১৬ জুন রাতে খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য এক সপ্তাহের সফরে সিঙ্গাপুর যান। সিঙ্গাপুর যাওয়ার আগে বড় ধরনের লোকসমাগমের কর্মসূচি গ্রহণের কথা বলে যান নেতাকর্মীদের। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যাপারে আর কোনো ছাড় দিতে নারাজ ১৮ দলীয় জোট। সমাবেশ থেকে রমজানের আগে দাবি আদায়ে সরকারকে আবারো সময় বেধে দেবেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন ২৪ জুন। ২৬ অথবা ২৭ জুনের দিকে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দেবে ১৮ দলীয় জোট। তখন সমাবেশের দিন ঠিক করা হবে। সেটা ৩০ জুন অথবা ১ জুলাই হতে পারে।

জোটের শরিক ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী সমাবেশের ব্যাপারে সরাসরি কিছু না বললেও তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে সমাবেশ হতে পারে এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সবশেষ গত ১২ জুন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহানগর বিএনপি আয়োজিত নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে সমাবেশ করে বিএনপি।

উল্লেখ, ৪ মে ১৮ দলের সমাবেশ থেকে সরকারকে তত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেধে দেয়া হয়। কিন্ত সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে। পরে বিভিন্ন ইস্যুতে তত্ত্বাবধায়কের দাবির আন্দোলন থেকে ছিটকে পড়ে বিএনপি।

‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাইলে নির্বাচনই হবে না’ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর সমাবেশ করে শক্তির জানান দিতে চায় ১৮ দলীয় জোট।

নির্বাচনে নাস্তিকের পরাজয় তো হবেই

Monday, June 17th, 2013

bnnnmmmনিউজ বিএনএন ডটকম:একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী তার নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে।
এসময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি বলেন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নাস্তিকের পরাজয় তো হবেই।
সাক্ষ্য শুরু হওয়ার আগে তিনি প্রসিকউশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ইংরেজিতে সাক্ষ্য দেব তরজমা করে দেখবা।  এরপর তিনি ইংরেজিতে সাক্ষ্য প্রদান শুরু করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন কোনো মামলায় কোনো সাক্ষী ইংরেজিতে সাক্ষ্য দেননি।
সোমবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি তার সাক্ষ্য প্রদান করেন।
এর আগে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে সাফাই সাক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো এবং সাফাই সাক্ষীর বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে তার সাক্ষাতের জন্য করা আবেদনের ওপর শুননি করেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “আমার সাফাই সাক্ষীদের মধ্যে দেশে বিদেশে অবস্থান করছেন। বিচারপতিও রয়েছেন তাদের সঙ্গে পরামর্র্শ করার জন্য পরোয়ানা জারির জন্য সময় প্রয়োজন। তাই আমাকে সময় দেয়া দরকার।”

এরপর তাকে আসামির কাঠগড়া থেকে সাক্ষীর কাঠগড়ায় আসার জন্য বলেন বিচারপতি মো. জাহঙ্গীর হোসেন।

আসামির কাঠগড়া থেকে নেমে সাক্ষীর কাঠগড়ায় উঠার আগে তিনি প্রসিকিউশনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ইংরেজিতে জবানবন্দি পেশ করি আর তোমরা তরজমা করতে থাক।”
সাক্ষীর কাঠগড়ায় উঠে আসামি সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী তার সামনে কম্পিউটার মনিটর রাখার দাবি করেন।
এ সময় তার এ দাবির বিরোধিতা করেন প্রসিকউটর জেয়াদ আল মালুম ও সুলতান মাহমুদ সীমন।
সালাহউদ্দিন কাদের ট্রাইব্যুনালকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনাদের সময় নষ্ট না করে একটি মনিটর আমার সামনে থাকলে ভালো হবে।”
তখন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম বলেন, “সাক্ষীর সামনে মনিটর এই বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের রায়ে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।”
ট্রাইব্যুনাল মালুমকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “সাক্ষীর জবানবন্দি তিনি দেখতে পারেন।  গোলাম আযম সাহেবের ছেলে সাফাই সাক্ষ্য দেয়ার পরে তিনি মনিটর দেখে সংশোধন করেছেন।”
তখন আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম বলেন, “ইতিপূর্বে ট্রাইব্যুনাল-২ এ কাদের মোল্লা জবানবন্দি পেশ করার সময় তিনি মনিটর সামনে নিয়ে জবানবন্দি পেশ করেছেন।”
এ সময় সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, “৪০ বছর ধরে ডিভেড (বিতর্ক) করে আসছি, হাইস্কুলে আমি প্রথমসারির ডিভেডার (বিতার্কিক)ছিলাম।”
এরপর তিনি তার হাতে থাকা ডকুমেন্ট দেখিয়ে  ট্রাইব্যুনাল কে বলেন, “আমার হাতে থাকা নথিপত্রগুলোতে ডিফেন্স সাক্ষী হিসেবে আমাকে সহযোগিতা করবে। মনে করবেন না যেন জবানবন্দি পেশ করার জন্য এটি কোনো নোট এনেছি।”
তার এ বক্তব্যের বিরোধিতা করেন প্রসিকউটর জেয়াদ আল মালুম। মালুম বলেন, “কোনো সাক্ষীকে এই সুযোগ দেয়া হয়নি, কিন্তু তাকে দেয়া হচ্ছে।”
প্রসিকউটর বলেন, “কোনো ডকুমেন্ট দিতে হলে ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন করতে হয়। ট্রাইব্যুনাল যদি ওই আবেদন গ্রহণ করেন তাহলে ওই ডকুমেন্ট আপনি দিতে পারবেন।”

এ সময় চৌধুরী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী দিতে চাই, এটা দিলে কি কবিরা গুনাহ হবে। এটাও কি দিতে পারবো না।”

এদিকে তার সাক্ষ্য শুরুতে শপথ বাক্য পাঠ করলেও প্রসিকউশনের আপত্তি থাকায় সে শপথ তিনি প্রত্যাহা্র  করে নেন।

এরপর ১১ টা ৪০ মিনিটে তিনি তার সাক্ষ্য প্রদান শুরু করেন। সাক্ষ্যে তিনি তার নানার নাম, দাদার নাম, বাবার নামসহ নিজের ছেলে-মেয়ের পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরেন।

এর আগে গত ১৩ জুন তার পক্ষে সাফাই সাক্ষীর জন্য ট্রাইব্যুনালে যে তালিকা দাখিল করা হয়েছিল তা থেকে পাঁচজনকে অনুমতি দেয়ছেন।

সাক্ষীর তালিকায় হাইকোর্টের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদের নামসহ প্রায় এক হাজার ১৫৩ জনের নাম ছিল। এই তালিকা থেকে পাঁচজনকে অনুমতি দিয়ে ট্রাইব্যুনাল তার আদেশে দেন।
পরে তিনি ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে স্ত্রী, ২ ছেলে, ছেলের বউ, মেয়ে ও মেয়ের জামাইসহ পরিবারের ৬ সদস্যের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন।

মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব,খালেকের নাকচ

Monday, June 17th, 2013

weনিউজবিএনএন ডটকম: খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হ্যাভিওয়েট প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক পরাজিত হলেও দল তাকে মূল্যায়ন করবে বলে জানা গেছে। দলের ছয়জন প্রভাবশালী নেতার বিরোধিতার কারণে তার পরাজয় হয়েছে বলে তিনি কেন্দ্রকে জানিয়েছেন। কেন্দ্র তার পাঠানো তথ্যকে পরাজয়ের সঠিক কারণ মনে করে তাকে মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা গেছে।

সাবেক ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী তালুকদার আবদুল খালেকের এক ঘনিষ্ঠজন জানান, কী কারণে তিনি হেরেছেন তা প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে। স্থানীয় ছয় প্রভাবশালী নেতা পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ানোর কারণে তার পরাজয় হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নালিশ দেয়া হয়।

আলোচিত ওই ছয় নেতার ভূমিকার কারণে দলের ভোটরা নীরব থেকেছে। ভোট দিতে যায়নি। তারা ভোট নষ্ট করার কারণে কাস্টিং ভোট কম হয়েছে। এই ব্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সঠিক মনে হওয়ায় তিনি তালুকদার আবদুল খালেককে ফোন করে মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রটি দাবি করেছে। কিন্তু এই স্বল্প সময়ের মন্ত্রিপরিষদে তার যোগ দেয়া ঠিক হবে না বলে তিনি বিনয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে জানান।

তালুকদার আবদুল খালেক হারলেও রোববার সকাল থেকেই তিনি দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে সময় কাটাচ্ছেন। তার চোখে-মুখে হতাশার ছাপ লক্ষ্য করা যায়নি।

তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান, যে ছয়জনের কারণে তিনি পরাজিত হয়েছেন আগামী সংসদ নির্বাচনের সময় তাদেরই সবচেয়ে বড় ধাক্কা সামলাতে হবে। কারণ ওই সময় তার সব নেতাকর্মীরা বাগেরহাটে তার সংসদীয় এলাকায় কাজ করবে। তখন তারা টের পাবেন বিরোধিতা করে লাভ ঘরে তোলা যায় না।

 

ফোন : +৮৮ ০২ ৯৬১ ৩৯৪২-৩, ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৮৬৫ ৩৪৬৫, মোবাইল : +৮৮ ০১৭১১ ৫২৯৯২৩, +৮৮ ০১৯২১ ০৭৬৪২৯, + ৮৮ ০১৯২৩ ৩৬৮২৯১ ।
 ইমেইল : 
newsbnn@gmail.com , editor@newsbnn.com, info@newsbnn.com,  ওয়েব : www.newsbnn.com

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো:মাহাবুবুর রহমান