Archive for the ‘স্বাস্হ্য’ Category

আলাদা দুই ওষুধের ব্যবহারে সেরে যাবে প্রাণঘাতী ত্বকের ক্যান্সার

Saturday, October 12th, 2013

08e4101277নিউজ বিএনএন ডটকম:ত্বকের ক্যান্সারের  চিকিতসায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ করেছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন এ চিকিতসা পদ্ধতিতে দু’টো আলাদা ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে এবং এ ওষুধের গুণে রোগীর দেহ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আবার চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এরই মধ্যে মেলানোমায় আক্রান্ত মারাত্মক রোগীদের ওপর এ চিকিতসা করে নজর কাড়া সুফল পাওয়া গেছে।

এ চিকিতসা ব্যবস্থা এতটাই সুফল দিচ্ছে যে এক চিকিতসা বিজ্ঞানী বলেছেন,  গবেষকরা এখন ক্যান্সার সারিয়ে তুলতে পারার কথাটি যে জোর দিয়ে বলতে পারছেন তা সত্যিই বিস্ময়কর। এ ছাড়া, কিডনি এবং ফুসফুসের ক্যান্সার বা কর্কটরোগে আক্রান্ত রোগীদের ওপর এ চিকিতসা পদ্ধতি প্রয়োগ করে ‘খুবই শিহরিত’ হওয়ার মতো সুফল পাওয়া গেছে।

এ দুই ওষুধের প্রথমটি হলো আইপিলিমিউম্যাব (ipilimumab) বা আইপিআই এবং এটি ব্যবহারে ত্বকের ক্যান্সারের ১৭ ভাগ রোগী  সেরে উঠেছেন বলে আমস্টারডামে ক্যান্সার বিষয়ক ইউরোপীয় কংগ্রেসের সম্মেলনে তুলে ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া, একই সঙ্গে অ্যান্টি-পিডি১ নামের নতুন একটি ওষুধ প্রয়োগে অর্ধেকের বেশি রোগীর ক্যান্সার ক্লিনিক্যালি সারিয়ে তোলা গেছে। ক্যান্সার কোষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয় অ্যান্টি-পিডি১।

এ দুই ওষুধের কার্যকারিতা দেখে ফ্রান্সের ক্যান্সার চিকিতসার কেন্দ্র- ইন্সটিটিউট গুস্তাভ রৌসি’র অধ্যাপক আলেকজান্ডার এগারমেন্ট বলেন, আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে মারাত্মক মেলানোমা’তে আক্রান্ত ৫০ ভাগের বেশি রোগীকে সারিয়ে তোলা যাবে।

বিমানের শব্দে স্ট্রোক-হৃদরোগের ঝুঁকি

Thursday, October 10th, 2013

553_371575নিউজ বিএনএন ডটকম:যাযাবর তার দৃষ্টিপাত উপন্যাসে একটি অতি সত্যি কথা বলে গেছেন। ‘বিজ্ঞান দিয়েছে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ।’ যাযাবরের কথার সূত্র ধরে এটাও বলা যায়, বিমান দিয়েছে গতি, বাড়িয়ে দিয়েছে দুর্গতি। পাখির মতো আকাশে উড়ে বেড়ানো এই যন্ত্রদানব থেকে ক্ষতির মাত্রা নেহাত কম নয়। বরং রীতিমতো শঙ্কিত হওয়ার
মতো খবর দিয়েছেন ব্রিটিশ গবেষকরা। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত লন্ডনের ইম্পিরিয়াল এবং কিংস কলেজের গবেষকদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানের উচ্চ শব্দে স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ে। যেসব রোগ মৃত্যুর সরাসরি কারণ। বিমানের বিকট শব্দ শোনা যায় এমন সব এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এসব রোগের ঝুঁকি অন্য মানুষদের তুলনায় অনেক বেশি।
লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরের আশপাশের প্রায় ৩৬ লাখ বাসিন্দার ওপর জরিপ চালিয়ে এ গবেষণাপত্রটি দাঁড় করানো হয়। এতে বলা হয়, এসব জায়গায় বসবাসকারীদের স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেশি। অবশ্য গবেষণাপত্রে এটাও বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের আশপাশে যারা থাকে, তাদের এসব রোগের জন্য কেবল শব্দদূষণই যে দায়ী তা নয়, অন্য কারণও থাকতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, হিথরো বিমানবন্দরের আশপাশে বসবাসকারী ৩৬ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৭০ হাজার লোক বিমানের উচ্চশব্দের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং এদের মধ্যে অনেকে মারাও গেছে।
গবেষক দলের প্রধান লন্ডনের ইম্পিরিয়াল কলেজের অধ্যাপক ড. অ্যানা হ্যানসেল বলেন, মানবস্বাস্থ্যে শব্দদূষণের প্রকৃত প্রভাবের বিষয়টি এখনও শতভাগ প্রমাণিত হয়নি। এটা মোটামুটি নিশ্চিতভাবে বলা যায়, উচ্চশব্দ মানুষের রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর মাধ্যমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কেউ আকস্মিকভাবে উচ্চশব্দের শিকার হলে তার হৃদকম্পন ও রক্তচাপ বেড়ে যায়। সূত্র: বিবিসি অনলাইন।

জীবনের জন্য রক্ত পরিশোধন পদ্ধতি ‘ডায়ালিসিস’

Friday, September 27th, 2013

123qনিউজ বিএনএন ডটকম:কিডনির কাজ হলো শরীরের বিষাক্ত পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বের করে দেওয়া৷ এছাড়া শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে কিডনি৷ আর এই অঙ্গটি অচল হয় পড়লে ডায়ালিসিস ছাড়া জীবন রক্ষার আর কোনো উপায় থাকে না৷

৪০ বছর ধরে ভিলি কোলার ডায়ালিসিসে আবদ্ধ৷ সপ্তাহে তিনদিন তাঁকে ডায়ালিসিস নিতে হয়৷ প্রতিবার আট ঘণ্টা৷ তাঁর কিডনি যে কাজটি করতে পারে না, সেটির ভার নেয় মেশিন৷ পরিশোধন করে রক্ত৷

প্রেরণা জাগায় ডায়ালিসিস

১৫ বছর বয়সে ডাক্তার জানান যে তাঁর কিডনির মাত্র ছয় মাস কাজ করতে পারবে৷ এটা রীতিমত একটা ‘শক’ ছিল, বলেন ভিলি কোলার৷ প্রথম দিকে হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি৷ নিজের ঘরে মন খারাপ করে বসে থাকতেন৷ কিন্তু কিছুদিন পর উঠে দাঁড়ান৷ ‘‘জীবন তো এগিয়ে যাবে৷ ডায়ালিসিস তো মৃত্যর পরোয়ানা নয়৷ বরং উল্টোটাই৷ আমি খুব শিগগরই বুঝতে পারি, এই মেশিনই আমার জীবন রক্ষা করবে৷ যা আসলে ইতিবাচক”, বলেন ভিলি কোলার৷

রক্ত শুধু পুষ্টিকর পদার্থই নয় বিষাক্ত পদার্থও পরিবহণ করে৷ কিডনি এই বিষাক্ত পদার্থ ফিল্টার করে এবং তা প্রস্রাব হয়ে শরীর থেকে বের হয়ে যায়৷

যাদের কিডনি ঠিক মতো কাজ করে না, যেমন ভিলি কোলারের মতো মানুষদের বেলায় সেই কাজটি করে থাকে ডায়ালিসিস মেশিন৷ রোগীর শরীর থেকে রক্ত একটি নলের মাধ্যমে ডায়ালিসিস মেশিনে আনা হয়৷ সেখানে বিষাক্ত পদার্থ আলাদা করা হয়, যা মূত্র আকারে বের হয়ে যায়৷ অন্যদিকে পরিশোধিত রক্ত আবার শরীরে ঢোকানো হয়৷ এইভাবে সপ্তাহে তিনবার রক্তশোধন করা হয়৷
ডায়ালিসিস করার সময় একটি সুঁই শিরার ভেতর দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়

কিডনি রোগীর সংখ্যা কম নয়

জার্মানিতে প্রায় ৮০০০০ ডায়ালিসিস রোগী রয়েছেন৷ ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ রোগী ডায়ালিসিস কেন্দ্রে গিয়ে রক্তশোধন করান৷ অল্পসংখ্যক রোগী বাড়িতেই এই কাজটা সারেন৷

ভিলি কোলারও কিছুদিন বাড়িতে ডায়ালিসিস করেছেন৷ কিন্তু তাঁর মতে এতে সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই বেশি৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘বাড়িতে ডায়ালিসিস করলে সবকিছুই নিজের করতে হয়৷ শিরায় সুঁই ফোটাতে হয়৷ এই কাজটা আবার নিজে করা যায় না, প্রয়োজন হয় অন্যের সাহায্য৷ তাই স্বামী বা স্ত্রীর ওপর চাপ পড়ে৷”

কোলারের কাছে এটা অস্বস্তিকর মনে হয়েছে৷ তিনি স্ত্রীকে চাপ দিতে চাননি৷ তাই ডায়ালিসিস কেন্দ্রে গিয়েই কাজটা করাচ্ছেন৷ ‘‘আমাকে ডায়ালিসিস করাতেই হবে৷ নয়ত মারা যাব”, বলেন কোলার৷

‘শান্ট’ পদ্ধতি

ডায়ালিসিস করার সময় একটি সুঁই শিরার ভেতর দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷ লক্ষ্য রাখা হয় যতটা সম্ভব বেশি রক্ত দ্রুত শরীর থেকে বের করে নেওয়া যায়৷ সেজন্য রক্ত বের করার পথটি বড় হতে হবে৷ এক্ষেত্রে তথাকথিত একটি শান্ট ব্যবহার করা হয়৷ বাহুতে একটি ছোট অপারেশন করে শিরা ও ধমনিকে সংযুক্ত করা হয়৷

শান্ট পদ্ধতি ৬০-এর দশকের প্রথম দিকে শুরু হয়েছে, বলেন ক্রেফেল্ড-এর কিডনি সেন্টারের প্রফেসর ডিটার বাখ৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘এই পদ্ধতিতে একটি বড়, চওড়া, লম্বা শিরা পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে ভালোভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে৷সূত্র:ডিডাব্লিউ

গন্ধ পরীক্ষা করে ক্যান্সার নির্ণয়!

Wednesday, July 10th, 2013

kkনিউজবিএনএন ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের গবেষকরা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করেছেন, যা মূত্র বা প্রস্রাবের গন্ধ পরীক্ষা করে মূত্রথলির ক্যান্সার নির্ণয় করতে সক্ষম। এ যন্ত্রে বিশেষ এক ধরনের সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিশেষ গন্ধযুক্ত রাসায়নিকগুলো শনাক্ত করে ক্যান্সার কোষের অস্তিত্ব বের করতে পারে। যুক্তরাজ্যের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ক্রিস পোবার্ট ও ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক নরম্যান র‌্যাটক্লিফ মূত্রথলির ক্যান্সার
শনাক্তের এ যন্ত্রটির উদ্ভাবক। তারা জানান, তাদের তৈরি যন্ত্রটি গন্ধ পরীক্ষা করে ক্যান্সারের অস্তিত্ব নির্ণয় করতে পারে। মূত্রে থাকা বিশেষ গ্যাসীয় রাসায়নিক যখন উত্তপ্ত করা হয়, তখন এ যন্ত্রটি মূত্রথলিতে ক্যান্সারের অস্তিত্ব আছে কি-না তা বের করতে পারে।
পিএলওএস ওয়ান সাময়িকীকে যন্ত্রটির উদ্ভাবকরা জানান, তাদের যন্ত্রটি প্রাথমিক পরীক্ষায় ৯০ শতাংশ নির্ভুলভাবে মূত্রথলির ক্যান্সার নির্ণয়ে সক্ষম হয়েছে। যন্ত্রটি সহজলভ্য করার আগে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন তারা।
গবেষকরা জানান, প্রতি বছর শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ১০ হাজারের বেশি মানুষ মূত্রথলির ক্যান্সার পরীক্ষা করান। চিকিৎসকরা সঠিকভাবে মূত্রথলির ক্যান্সার নির্ণয়ের উপায় খুঁজছিলেন। তারা চাইছিলেন, প্রাথমিক অবস্থায় যাতে ক্যান্সার ধরা পড়ে এ রকম একটি যন্ত্র। এ ধরনের ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় করা হলে সফলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

এই বর্ষায় পায়ের যত্ন

Monday, July 8th, 2013

pjডা. মো. মনিরুজ্জামান খান
নিউজবিএনএন ডেস্ক: বর্ষাকালে স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় অনেকেরই পায়ের আঙুলের ফাঁকে বা পুরো পায়ে ছত্রাক সংক্রমিত হয়। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যাথলেট ফুট বা টিনিয়া পেডিস বলা হয়। এতে পায়ে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ছোট ছোট ফোসকা হয় এবং পরে পায়ের তলা শুষ্ক হয়ে খোসা খোসা ত্বক উঠে আসতে পারে। ক্যানডিডা ছত্রাকের আক্রমণে আঙুলের ফাঁকে সাদা স্তর দেখা যায়। পায়ের নখেও ছত্রাক সংক্রমিত হয়। সে ক্ষেত্রে নখের রং সাদা থেকে হলুদ হয়ে যায়।

বর্ষাকালে খালি পায়ে হাঁটা, বেশি পানির কাজ করা, স্যাঁতসেঁতে মোজা পরা ছত্রাক সংক্রমণের কারণ। ডায়াবেটিস ও অন্যান্য কারণে যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাঁদের বেশি হওয়ার কথা।

এই সমস্যায় চিকিৎসক সাধারণত অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ক্রিম ও ওষুধ ব্যবহার করার পরামর্শ দিতে পারেন। অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা দরকার হয়।

—এই সময় পা দুটো যথাসম্ভব শুকনা ও পরিষ্কার রাখুন।

—খালি পায়ে হাঁটবেন না। প্রতিদিন ধোয়া মোজা ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে দুই বেলা মোজা পরিবর্তন করুন।

—গোসল ও অজু করার পর পা শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

—আঙুলের ফাঁকে ছোট তুলার বল রাখলে বাতাস চলাচল করতে সুবিধা হয়।

—নখ কেটে ছোট রাখুন।

- চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।

মাথা প্রতিস্থাপন দুই বছরের মধ্যে!

Thursday, July 4th, 2013

maনিউজবিএনএন ডেস্ক: অষ্টাদশ শতাব্দীতে লেখা ম্যারি শেলির উপন্যাস ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ আজও মানুষকে সমানভাবে আন্দোলিত করে। ল্যাবরেটরিতে সৃষ্ট মানুষের ভয়ঙ্কর আচরণ আমাদের শঙ্কিত করে। কিন্তু বাস্তবে সে রকম সম্ভব বলে কেউ বিশ্বাস করেন না। তবে ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সৃষ্টিকারী সেই গবেষকের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি কিছুটা হলেও বাস্তবে কাজে লাগানো সম্ভব বলে মনে করেন ইতালীয় বিজ্ঞানী ড. সার্গিও ক্যানাভেরো। আর এর মাধ্যমে আগামী দুই বছরের মধ্যেই সম্ভব হতে পারে মানুষের মাথা প্রতিস্থাপন। ড. সার্গিওর দাবি, সেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অগ্রগতির
ফলেই এমনটি সম্ভব হবে।

এ নিয়ে টিউরিন অ্যাডভান্স নিউরোমডিওলেশন গ্রুপের বিজ্ঞানী ক্যানাভেরোর লেখা নিবন্ধ ছাপা হয়েছে চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী সার্জিক্যাল নিউরোলজি ইন্টারন্যাশনালে।

এতে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন ‘হেড অ্যানাস্টোমোসিস ভেনচার’ (হেভেন) পদ্ধতি। মাথা প্রতিস্থাপনের এ পদ্ধতি অনুযায়ী দু’জনের মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে খুবই ধারালো ব্লেড দিয়ে। প্রতিস্থাপিত মাথা ও দেহের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধনে ব্যবহার হবে বিদ্যুৎ শক্তির (ইলেকট্রোফিউশন)। এ ধরনের একটি পদ্ধতির প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসে। বিজ্ঞানী সার্গিও ক্যানাভেরো তার পদ্ধতির পক্ষে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন ১৯৭০-এর দশকে বানরের দেহে একই ধরনের অস্ত্রোপচার চালানোর বিষয়টিকে। সেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অসুস্থ বানরটিকে আট দিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয়েছিল।

ক্যানাভেরো বলেছেন, মাথা প্রতিস্থাপনের প্রথম রোগী হতে পারেন মস্তিষ্ক পুরোপুরি কার্যকর আছে, কিন্তু পেশি, জিনগত বা পরিপাকের জটিলতায় ভুগছেন এমন একজন যুবক। তবে এ বিজ্ঞানী স্বীকার করেন, এ ক্ষেত্রে নৈতিকতার প্রশ্ন নিয়ে তিনি ভাবেননি। খবর ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস অনলাইনের।

চা-কফি খান, রক্তচাপ কমান

Wednesday, July 3rd, 2013

copনিউজবিএনএন ডেস্ক: চা-কফি পানে অনেকে শরীর চাঙ্গা করেন। আবার অনেকে ঘুম হবে না ভেবে সন্ধ্যার পর আর খান না। চেহারা কালো হয়ে যাবে ভেবে কেউ কেউ চা বা কফি ছুঁয়েও দেখেন না; কিন্তু দিনে চার কাপ কফি বা চা পান করা শরীরের জন্য ভালো। এতে উচ্চ রক্তচাপ কমে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্যারিসের দ্য প্রিভেনটিভ অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ইনভেস্টিগেশন সেন্টারের গবেষকরা এক লাখ ৭৭ হাজার নারী-পুরুষের ওপর গবেষণা চালান। গবেষণায় ১০ বছর ধরে ১৬ থেকে ৯৫ বছর বয়সী এসব মানুষের রক্তচাপ পরীক্ষা
করা হয়।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়_ যারা চা বা কফি পান করেন না, যারা দিনে এক থেকে চার কাপ কফি পান করেন এবং যারা এর চেয়ে বেশি পান করেন। গবেষকরা জানান, যারা দিনে অন্তত চার কাপ কফি বা চা পান করেন, তাদের রক্তচাপের মাত্রা, যারা একেবারেই পান করেন না, তাদের চেয়ে কম থাকে।

গবেষণায় জানা যায়, ক্যাফেইন থেকে দূরে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধকারীদের চেয়ে ক্যাফেইনপ্রেমীদের রক্তচাপের মাত্রা কম। কফির দানা বা চায়ের পাতার নির্যাসের মূল উপাদান ক্যাফেইন।

গবেষকরা জানান, যারা বেশি করে চা পান করেন তাদের সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ কম থাকে। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও তাদের কম। কফির ক্ষেত্রে যারা অতিরিক্ত কফি পান করেন, তাদের রক্তচাপ, স্বাভাবিক পানকারীদের চেয়ে সামান্য বেশি। তবে যারা একেবারেই পান করেন না, তাদের চেয়ে কম।

গবেষক ও নিবন্ধের লেখক ব্রুনো পানিয়ার বলেন, চায়ের উপাদান সম্ভবত রক্তবাহী ধমনিতে শান্ত করার মতো কোনো প্রভাব ফেলে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অনলাইনের।

ঝিনাইগাতীতে কীটনাশক যুক্ত মশারী বিতরণ

Monday, July 1st, 2013

aaaaaaমুহাম্মদ আবু হেলাল, ঝিনাইগাতী:শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার ম্যালেরিয়া প্রবণ এলাকায় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রনে আনার লক্ষ্যে ৭ টি ইউনিয়নে হত-দরিদ্র, দরিদ্র,গর্ভবতি মা ও ৫ বছরের নীচের শিশুদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৮ হাজার দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশক যুক্ত মশারী বিতরণের উদ্যেগ নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় ও এনজিও র‌্যাসডো। এ উপলক্ষ্যে ১ জুলাই সোমবার গৌরীপুর ইউনিয়নের হলদীবাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ঝিনাইগাতী হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হাবিবুল্লাহ সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গৌরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খোকা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক ছামেদুল হক, র‌্যাসডোর উপজেলা ব্যবস্থাপক মীর জাহাঙ্গীর কবির রাজন, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক জাহানারা বেগম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ৫ শত কীটনাশক যুক্ত মশারী বিতরন করেন।

স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়ে ওয়েবসাইট!

Monday, July 1st, 2013

aboনিউজবিএনএন ডটকম: স্তন ক্যানসার ও এর চিকিৎসার তথ্য সহজে সবার কাছে পৌঁছে দিতে চালু হলো নতুন একটি ওয়েবসাইট। আমাদের গ্রাম ব্রেস্ট কেয়ার সেন্টারের উদ্যোগে চালু হওয়া এই ওয়েবসাইটের ঠিকানা  www.agbreastcare.org/banglainfo।

স্তন ক্যানসার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে, স্তন ক্যানসারের লক্ষণ, ঝুঁকি, পরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং ওষুধসহ নানা বিষয়ের পরামর্শ দেয়া হয়েছে এই ওয়েবসাইটে।

বাংলাদেশ ও আমেরিকার কয়েকজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছে আমাদের গ্রাম কমিউনিকেশনস। বাংলা ভাষার এই ওয়েবসাইট মোবাইল ফোন বা ট্যাবের মতো যেকোন ডিভাইসে দেখা যাবে।

ওয়েবসাইটটি সম্পর্কে আমাদের গ্রামের পরিচালক রেজা সেলিম বলেন, ‘ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের স্তন ক্যানসার সম্পর্কে জানাতে আমরা এই ওয়েবসাইট চালু করেছি। এর মাধ্যমে যে কেউ স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সম্মক ধারণা পাবেন। চাইলে আমাদের গ্রাম ব্রেস্ট কেয়ার সেন্টারের যেকোনো শাখা থেকে স্তনের চিকিৎসা সেবাও নিতে পারবেন।”

ক্যানসার রুখতে সাপের বিষ

Sunday, June 30th, 2013

239_6123_0নিউজ বিএনএন ডেস্ক:যে বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়লে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত, সেই বিষের সাহায্যেই এক মারণ রোগকে বধ করার পন্থা আবিষ্কার করেছেন বলে দাবি করলেন কলকাতার বিজ্ঞানীরা।
রোববার ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে জানায়, শুধু তাই নয়, রোগ সারাতে গিয়ে কোনও গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যাতে রোগীকে কাবু করতে না পারে, তারও পথ বাতলে দিলেন তাঁরাই। প্রথম দফায় শুধু রক্তের ক্যানসারের (লিউকেমিয়া) উপরেই এর কার্যকারিতা সামনে এসেছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেউটে, চন্দ্রবোড়া, খরিষের মতো সাপের বিষ থেকে ক্যানসার ঠেকানোর যৌগ আবিষ্কারের এই দাবি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিজ্ঞান বিভাগের বিজ্ঞানীদের। শুধু ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করাই নয়, মানুষের দেহে ওই যৌগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঠেকানোর পথও আবিষ্কার করেছেন তাঁরা। এ ক্ষেত্রে তাঁদের সহায়ক হয়েছে স্বর্ণচূর্ণের কণা, যা প্রাচীন আয়ুর্বেদের সময় থেকেই নানা রোগ সারাতে ব্যবহার করা হয়।

আনন্দবাজারপত্রিকা বলছে, এই গবেষণাপত্র একটি বিজ্ঞান জার্নাল ‘নেচার ইন্ডিয়া’-য় প্রকাশিত হয়েছে। সাপের বিষ ও সোনার গুঁড়োর যৌথ আক্রমণে ক্যানসারের মতো মারণ রোগকে পিছু হটানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে নানা মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে ক্যানসার চিকিৎসকদের বক্তব্য, এটা একেবারেই প্রাথমিক স্তরে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অ্যান্টনি গোমস জানান,১৯৯৫ সাল থেকে তাঁদের বিভাগে কাজ শুরু হয়। ২০০৫ সালে চন্দ্রবোড়ার বিষের প্রোটিন যৌগ ক্যানসার আক্রান্ত কোষকে মারছে,তা প্রমাণিত হয়। গবেষণার মাধ্যমে কেউটের বিষেও এই ক্ষমতার কথা তাঁরা সামনে আনেন।

কিন্তু সমস্যা হল, যে কোনও কেমোথেরাপির ওষুধের মতো প্রোটিন যৌগেরও কিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে।

কী সেই ক্ষতিকর দিক? চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন,হৃৎপিণ্ড এবং স্নায়ুর উপরে ওই যৌগের বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে। সেই কারণেই এই যৌগ থেকে ওষুধ তৈরির বিষয়টি নিয়ে বেশি দূর এগোনো বিপজ্জনক হতে পারে।

এতে বলা হয়েছে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিজ্ঞানীদের দাবি,সোনার গুঁড়ো ব্যবহার করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানোর পন্থাও তাঁরা আবিষ্কার করেছেন। ইঁদুরের ওপর তা প্রয়োগও হয়েছে। কীভাবে? অ্যান্টনি গোমস বলেন, “এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়েছে ন্যানো প্রযুক্তি। সোনার ন্যানো পার্টিকল তৈরি করে তা মেশানো হয়েছে সাপের বিষ থেকে আহরিত যৌগের সঙ্গে। তার পরে তা ইঁদুরের উপরে প্রয়োগ করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, ক্যানসার আক্রান্ত কোষ মরছে, কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনায় অনেকটাই কম।”

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে কাঁকড়া বিছের বিষ থেকে যৌগ নিয়ে ক্যানসারের ওষুধ আবিষ্কারের কাজ হয়েছে। সাপের বিষ থেকে ক্যানসারের ওষুধ আবিষ্কারের ব্যাপারে কাজ শুরু হয় ১৯৩৩ সাল থেকে। এক ফরাসী বিজ্ঞানী এই কাজ শুরু করেছিলেন। পরে ভারতেও একাধিক গবেষণা শুরু হয়।

কলকাতার বিজ্ঞানীরা রক্তের ক্যানসারের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা প্রমাণ করতে পারলেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাই পরের দফায় কীভাবে এই যৌগের বিষক্রিয়া কমানো যায়, তা নিয়ে কাজ চলছিল। উদ্দেশ্য ছিল মূলত দু’টি- ক্যানসারকে ধ্বংস করার পাশাপাশি বিষক্রিয়া ঠেকানো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞানীদের দাবি, ‘গোল্ড ন্যানো পার্টিকল’ তৈরি করে ওই যৌগের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ায় সুফল মিলেছে।

বিজ্ঞানী অমিয় কুমার হাটি জানান, সাপের বিষ থেকে শুধু ক্যানসার নয়, হৃৎপিণ্ড, স্নায়ুতন্ত্রের নানা রোগের ওষুধ তৈরি হয়। তাঁর কথায়, “সাপের বিষে অনেক ধরনের প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, এনজাইম রয়েছে। সবটাই যে ক্ষতিকর, তা নয়। ক্ষতিকর বিষয়গুলো বাদ দিয়ে কীভাবে সাপের বিষকে ওষুধ তৈরির কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা নিরন্তর কাজ করে চলেছেন।”

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, আয়ুর্বেদের সময় থেকে চিকিৎসার কাজে সোনার ব্যবহারও চালু রয়েছে। প্রাচীনকালে বৈদ্যরা সোনার কণা দিয়ে আর্র্থারাইটিস-সহ নানা রোগের চিকিৎসা করতেন।

তবে সোনাও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত নয় বলে জানান আয়ুর্বেদ চিকিৎসকেরা। তাঁদের বক্তব্য, সোনা থেকেও কিছু বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। কিন্তু সেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ক্যানসারের মতো মারণ রোগের কাছে নগণ্য বলে তাঁদের অভিমত।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যানসার চিকিৎসক গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেন, “যদি এমন কিছু হয়, তা হলে স্বাগত। কিন্তু চার দফার ট্রায়ালের পরে সাফল্য পেলে তবেই এ নিয়ে আশান্বিত হওয়া যাবে।”

একই কথা জানান ক্যানসার চিকিৎসক সুবীর গঙ্গোপাধ্যায়ও। তার মতে, “এর ডোজ, সহনক্ষমতা সবটাই বিচার্য। রোগীর শরীরে এর সুদূরপ্রসারী ফলাফল কী, সেটাও জানতে হবে। এখন গবেষণাগারে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু মানুষের দেহে প্রয়োগের পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

ক্যানসার চিকিৎসক আশিস মুখোপাধ্যায় বলেন, “সাপের বিষে এমন এক ধরনের যৌগ রয়েছে যা লিউকেমিয়ার জন্য দায়ী জিনকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। আমরাও এর ফল দেখার জন্য আশাবাদী।সূত্র:আনন্দবাজার পত্রিকা

 

ফোন : +৮৮ ০২ ৯৬১ ৩৯৪২-৩, ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৮৬৫ ৩৪৬৫, মোবাইল : +৮৮ ০১৭১১ ৫২৯৯২৩, +৮৮ ০১৯২১ ০৭৬৪২৯, + ৮৮ ০১৯২৩ ৩৬৮২৯১ ।
 ইমেইল : 
newsbnn@gmail.com , editor@newsbnn.com, info@newsbnn.com,  ওয়েব : www.newsbnn.com

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো:মাহাবুবুর রহমান