Archive for the ‘বিশ্ব’ Category

আফগানিস্তানে স্থায়ী মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ: রাশিয়ার উদ্বেগ

Thursday, October 10th, 2013

6fc5নিউজ বিএনএন ডেস্ক: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ আফগানিস্তানে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের ব্যাপারে মার্কিন পরিকল্পনার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশা টু-ডে টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন, বিদেশি সেনারা যখন আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন আমেরিকাসহ ন্যাটোভুক্ত আরো কয়েকটি দেশ আফগানিস্তানে তাদের সামরিক উপস্থিতি স্থায়ী করার যে চেষ্টা চালাচ্ছে তাতে মস্কো উদ্বিগ্ন না হয়ে পারে না। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেছেন, আগামী বছরের শেষ নাগাদ আফগানিস্তান থেকে সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার কথা রয়েছে। এ অবস্থায় সেদেশে স্থায়ী মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের পেছনে কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আমেরিকার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে রাশিয়া। এ অবস্থায়, সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের কথা বলে হোয়াইট হাউজ আফগানিস্তানে তাদের অবস্থান স্থায়ী বা পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করছে বলে রাশিয়া মনে করে। মার্কিন সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মার্টিন ডেম্পসি সম্প্রতি আফগানিস্তান থেকে তাদের সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন। এ কারণে রাশিয়া এ জন্য চিন্তিত যে, ২০১৪ সালের মধ্যে সেনা প্রত্যাহারের কথা থাকলেও আমেরিকা যে কোনো কৌশলে বা অজুহাতে আফগানিস্তানে তাদের প্রভাব বা উপস্থিতি বজায় রাখার চেষ্টা করবে।
আমেরিকা এখন আফগান সরকারের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি করার পর এই চুক্তিকে ২০১৪ সালের পরও সেদেশে তাদের সেনাবাহিনীর একটা অংশ মোতায়েন রাখার পক্ষে যুক্তি হিসেবে দাঁড় করানোর পায়তারা করছে। এদিকে, আফগানিস্তানের কোনো কোনো সূত্র জানিয়েছে, হোয়াইট হাউজ এরই মধ্যে আফগানিস্তানে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের কাজ শুরু করে দিয়েছে।
রাশিয়া মনে করে, আমেরিকা আফগানিস্তানে তাদের উপস্থিতি জোরদার করতে পারলে এরপর তেল-সমৃদ্ধ ককেশিয় ও মধ্যএশিয় অঞ্চলের ওপর প্রভাব বিস্তার করা তাদের জন্য আরো সহজ হবে। এ কারণে রুশরা আফগানিস্তানকে সামরিক সহায়তা দেয়ার মাধ্যমে সেদেশে তাদের প্রভাব বজায় রাখা এবং আমেরিকার মোকাবেলায় সেখানে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।
আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই সম্প্রতি সেদেশে বিদেশি সেনাদের কার্যক্রম এবং ওয়াশিংটন-কাবুল নিরাপত্তা চুক্তির বিভিন্ন ধারা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত রয়েছেন এবং এ নিয়ে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট কারজাই বলেছেন, আফগান জনগণ ও প্রতিবেশী দেশগুলো যদি ওয়াশিংটন-কাবুল নিরাপত্তা চুক্তি মেনে নেয় তাহলেই কেবল তারা এ চুক্তিতে সই করবে। পাশ্চাত্যের সঙ্গে আফগান সরকারের যখন বিরোধ চলছে তখন রাশিয়া আফগান সরকারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। এ কারণে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য প্রেসিডেন্ট কারজাই রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক সহায়তা চাওয়া মাত্রই রাশিয়াও এ প্রস্তাব লুফে নিয়েছে এবং ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই সাইগু গত মাসে ইতালির রোমে দেশটির পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক সংবাদ সম্মেলনে ২০‌১৪ সালের পরও আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা উপস্থিতির ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, মস্কো আফগানিস্তান শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত আছে।
তবে সামরিক সহযোগিতা ছাড়াও, মস্কো ও কাবুল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিস্তারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে। কিছুদিন আগে রাশিয়ার একটি অর্থনৈতিক প্রতিনিধি দল আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের সঙ্গে বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিস্তারের উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। উল্লেখ করা যায়, পাকিস্তান ও আমেরিকার পর রাশিয়া হচ্ছে আফগানিস্তানের তৃতীয় বাণিজ্য শরীক। ২০১০ সাল থেকে আফগানিস্তান ও রাশিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হয়।
যাহোক, আফগানিস্তানে ন্যাটো ও মার্কিন বাহিনীর ধ্বংসাত্মক ততপরতার কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাশ্চাত্যের সঙ্গে আফগান সরকারের মতবিরোধ তীব্রতর হয়েছে। আর এ অবস্থা কাবুল-মস্কো সহযোগিতা বিস্তারের সুযোগ এনে দিয়েছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন।

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আলী জেইদান অপহৃত

Thursday, October 10th, 2013

sssssনিউজ বিএনএন ডটকম: লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে অপহরণ করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা। দেশটির সরকার কিছুক্ষণ আগে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি আলী জেইদানকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে।
লিবিয়া সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান আলী জেইদানকে সাবেক গেরিলাদের একটি গোষ্ঠী অজানা কারণে অজ্ঞাত গন্তব্যে ধরে নিয়ে গেছে।

মিশরে মার্কিন সেনা সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা

Thursday, October 10th, 2013

nocreditনিউজ বিএনএন ডেস্ক:মিশরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত বেশির ভাগ সেনা সহায়তা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
এতে মিশরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুত বেশকিছু মিসাইল, যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার সহ গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের চালান বাধাগ্রস্ত হবে।
যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর মিশরের সেনাবাহিনীকে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তা দিয়ে থাকে।
স্টেট ডিপার্টেমন্টের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ জানাচ্ছেন, মিশরে সেনা সহায়তার বিষয়টি আবারো পর্যালোচনা করে দেখা দরকার বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
মিশরে যে রাজনৈতিক সংকট চলছে তা থেকে উত্তরণ না ঘটলে সেনা সহায়তা স্থগিত থাকবে বলে জানাচ্ছে স্টেট ডিপার্টেমন্ট।
কর্মকর্তারা আরও জানাচ্ছেন, মিশরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি এলে বিষয়টি নিয়ে হয়তো আবার ভাবা হবে।
তবে মিশরের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে এবং সন্ত্রাস বিরোধী লড়াই, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে মার্কিন সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আগস্ট মাসে মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থকদের সাথে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র এফ-১৬ জঙ্গি বিমান সরবরাহ স্থগিত করে ও মিশরের সাথে যৌথ সামরিক মহড়াও বাতিল করে।
ব্যাপক আন্দোলনের মুখে সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের পতনের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা মোহাম্মদ মোরসিকে প্রেসিডেন্ট পদে পুনরায় বহাল করতে দেশটিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে তার সমর্থকরা।
যাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকমাসে দেশটিতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

সিরিয়া যুদ্ধ এড়াতে ইরান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে: লেবানন

Monday, October 7th, 2013

ea07http://newsbnn.com/wp-content/uploads/2013/10/ea07.jpgনিউজ বিএনএন ডেস্ক: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান আলাউদ্দিন বোরুজেরদি নিশ্চিত করে বলেছেন, তেহরান তার নিরঙ্কুশ পরমাণু অধিকার কখনো ছাড়বে না।
তিনি জানান, “পরমাণু ইস্যু নিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান।”

লেবাননের জাতীয় সংসদে আর্মেনিয় সহকারী হ্যাগোপ পাকরাদুনিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাতে এসব কথা বলেছেন বোরুজেরদি। আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর জেনেভায় ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের পরমাণু আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগ মুহূর্তে ইরানের সিনিয়র সংসদ সদস্য এ কথা বললেন।

সিরিয়া ইস্যুতে বোরুজেরদি আরো বলেন, “আরব এ দেশটিকে নিয়ে লেবানন ও ইরান একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে। এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ সারাবিশ্বে টেকসই নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার নীতি অনুসরণ করার পক্ষে ইরানের অবস্থান।”

সাক্ষাতে লেবাননের সংসদ সদস্য আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ইরানের প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানান। এছাড়া, সিরিয়ায় অনিবার্য যুদ্ধ এড়াতে ইরান গঠনমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ফের রক্তে রঞ্জিত মিশরের রাজপথ: নিহত ৫১

Monday, October 7th, 2013

e1aনিউজ বিএনএন ডটকম: ফের রক্তাক্ত হয়েছে মিশরের রাজপথ। ১৯৭৩ সালের মিশর-ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর বার্ষিকীতে ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী জনতার ওপর পুলিশের নির্বিচার গুলিবর্ষণে অন্তত ৫১জন নিহত হয়েছে। নিহতদের প্রায় সবাই ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসির সমর্থক।
১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর থেকে মিশর-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে হাতছাড়া হয়ে যাওয়া এলাকা  পুনরুদ্ধারের জন্য মিশরের সেনাবাহিনী সুয়েজ খাল অতিক্রম করলে ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয়। ১৮ দিন স্থায়ী এ যুদ্ধ ‘অক্টোবর যুদ্ধ’  নামেও প্রসিদ্ধ।
ওই যুদ্ধ শুরুর বার্ষিকীতে সেনাবাহিনী একদিকে রাজধানীতে সামরিক কুচকাওয়াজের আয়োজন করে। অন্যদিকে মুরসির সমর্থক ইখওয়ানুল মুসলিমিন ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভের ডাক দেয়। তারা খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঐতিহাসিক তাহরির স্কয়ারের দখল নিতে চাইলে নিরাপত্তা বাহিনী নির্বিচারে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায়। এতে সেখানে অন্তত ৪৫ জন এবং কায়রোর দক্ষিণ অংশে আরো ছয়জন নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অপর প্রায় ২৭০ জন। কায়রোর একটি হাসপাতাল সূত্র হতাহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।
কায়রোর কেন্দ্রস্থলে বিক্ষোভকারী জনতাকে লক্ষ্য করে পুলিশ সরাসরি গুলি চালায়। অনেক বিক্ষোভকারীকে পুলিশ আটক করে বেদম প্রহার করে। কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে পুলিশ পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। গত ১৪ আগস্টের পর রোববার নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিরোধী নেতাকর্মী নিহত হলেন। ১৪ আগস্ট মিশরের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত তিন হাজার বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছিলেন।
ওই দমন অভিযানের পর মুরসির সমর্থক ইখওয়ানুল মুসলিমিনের নেতা-কর্মীরা কিছুটা দমে গেলেও গত কয়েকদিন ধরে তারা আবার সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করেন। রোববার ইখওয়ানের সমর্থকরা তাহরির স্কয়ারের দখল নেয়ার পরিকল্পনা করলেও বুলেটের সামনে তারা দাঁড়াতে পারেননি।
১৯৭৩ সালের অক্টোবরের যুদ্ধে মিশর প্রথমে বেশ সাফল্য পায়। সুয়েজের মতো কঠিন বাধা অতিক্রম করে মিশরীয় বাহিনী পৃথিবীর যুদ্ধ ইতিহাসের এক দুঃসাহসিক আক্রমণে ইসরাইলের দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে খ্যাত বারলেভ লাইন সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে বিদ্যুত্‌গতিতে সামনে এগিয়ে চলে। এ অবস্থায় প্রমাদ গণে দখলদার ইসরাইলের দুই পৃষ্ঠপোষক আমেরিকা ও রাশিয়া। নিজেদের মধ্যে শীতল যুদ্ধ চলা সত্ত্বেও বিপর্যস্ত ইসরাইলকে রক্ষার জন্য মস্কো ও ওয়াশিংটন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দুই প্রভুর আশীর্বাদে অচিরেই ইসরাইল ধাক্কা সামলে ওঠে এবং জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘটে।

সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের অন্তর্দ্বন্দ্ব: সংঘর্ষে আরো ১৯ জন নিহত

Saturday, October 5th, 2013

1707ca32f0f8_XLনিউজ বিএনএন ডটকম: সিরিয়ায় বিদেশি মদদপুষ্ট বিদ্রোহীদের অন্তর্দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। এর জের ধরে তুর্কি সীমান্তবর্তী শহরগুলোতে নিজেদের মধ্যকার সংঘর্ষে নতুন করে ১৯ জন নিহত।
গতকাল আবারো সীমান্তবর্তী আজাজ শহরে কথিত ফ্রি সিরিয়ান আর্মি এবং আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড লিভ্যান্ট বা আইএসআইএল’র ব্যাপক বন্দুকযুদ্ধ হয়। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
আল-কায়েদা সমর্থিত গ্রুপটি সিরিয়ার রাস-আল আইন শহরেও কুর্দি গেরিলাদের সঙ্গে সংঘের্ষ লিপ্ত হয়।
সিরিয়ার বিরোধী সূত্রগুলো জানিয়েছে- এ সংঘর্ষে নিহত হয়েছে অন্তত ১৪ আল-কায়েদা সন্ত্রাসী এবং চারজন কুর্দি গেরিলা। এতে বিদেশি মদদপুষ্ট কথিত নর্দান স্টর্ম ব্রিগেডের এক সেনাও নিহত হয়। সম্প্রতিক মাসগুলোতে সিরিয়ার বিদ্রোহীদের মধ্যে এ ধরনের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের ঘটনা বেড়ে গেছে।
২০১১ সাল থেকে সিরিয়া সহিংসতা চলে আসছে। এ পর্যন্ত সৌদি আরব, তুরস্ক, কাতার, আমেরিকা ও ইসরাইলের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের হামলায় শত শত সরকারি সেনা এবং এক লাখের বেশি সাধারণ মানুষ মারা গেছে।

সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইরান

Wednesday, October 2nd, 2013

kkklllনিউজ বিএনএন ডেস্ক: সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে তাতে সহায়তা করতে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে বলে ঘোষণা করেছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ আল-মনিটর ওয়েবসাইটকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ইস্যুতে তার দেশের অবস্থান তুলে ধরেন। দেশটির রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে আন্তর্জাতিক মহলে যে ঐক্যমত্য হয়েছে তা কার্যকর করারও আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতকারে মন্ত্রী বলেন, “(রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের) কাজটি কঠিন হয়ে যাবে। তাই চুক্তি অনুযায়ী যথাযথভাবে ও দ্রুততার সঙ্গে এ কাজে সহায়তা করতে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”
দামেস্কের রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে অর্জিত সমঝোতার প্রতি জোরালো সমর্থন ব্যক্ত করেন জারিফ। যুদ্ধের ভয়াবহ দুর্যোগ এড়ানোর ক্ষেত্রে ইরান ও রাশিয়ার সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে ‘ইতিবাচক’ বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে আমেরিকা ও রাশিয়া গত ১৪ সেপ্টেম্বর এক সমঝোতায় পৌঁছে। সমঝোতা অনুযায়ী সিরিয়ার সব রাসায়নিক অস্ত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হাতে ছেড়ে দেয়া ও ২০১৪ সালের মধ্যে সেগুলো ধ্বংসের সিদ্ধান্ত হয়।

নিউ ইয়র্কে মনমোহন সিং ও নওয়াজ শরীফ বৈঠক

Monday, September 30th, 2013

130929172550_pakistan_india_prime_minister_meeting_304x171_afp_nocreditনিউজ বিএনএন ডেস্ক:ভারত এবং পাকিস্তানের দুই প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং নওয়াজ শরীফ কাশ্মীর সীমান্তে সহিংসতার ঘটনা কমিয়ে আনার ব্যপারে একমত হয়েছেন।
দুই নেতা নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভার পাশাপাশি এক ঘণ্টার জন্য একটি বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন।
দুই নেতা পরস্পরকে নিজেদের দেশে সফর করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।যদিও সফরের কোন তারিখ নির্ধারিত হয়নি।
মে মাসে মি. শরীফ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেবার পর দুই নেতার মধ্যে এটি প্রথম কোন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
কাশ্মীর অঞ্চলে চলমান প্রাণঘাতী সংঘর্ষ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দু’ দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বেড়েছে।
এজন্য কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় শান্তি এবং স্বস্তি ফিরিয়ে আনা দরকার। ভারতের দিক থেকে সন্ত্রাসবাদ দমনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।”
তবে, উভয় দেশের কর্মকর্তারা দুই নেতার বৈঠকটিকে একটি সফল বৈঠক হিসেবে অভিহিত করছেন।
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিভশঙ্কর মেনন বলেছেন সীমান্তে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়টিই বৈঠকে সবচে’ বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
মি. মেনন বলেছেন যে দুই দেশই ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সুসম্পর্ক দেখতে চায়।
এজন্য কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় শান্তি এবং স্বস্তি ফিরিয়ে আনা দরকার। ভারতের দিক থেকে সন্ত্রাসবাদ দমনের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।”
মি. মেনন আরও বলেন যে উভয় দেশের মধ্যেই সহযোগিতার মনোভাব রয়েছে, তবে দু’দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়াবলীর সমাধান হতে কিছুটা সময় লাগবে।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচি জলিল আব্বাস জিলানী বৈঠক সম্পর্কে বলেছেন যে ঐ বৈঠকে একটি সৌহার্দপূর্ণ আবহ ছিল ।
মি. জিলানী বলেছেন যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে দুই দেশের সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে এমন বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও দুই দেশ একত্রে কাজ করতে পারে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন যে কাশ্মীর সীমান্তের সমস্যা সমাধানের জন্য একটি ঐক্যমত্য প্রয়োজন।
গত বৃহস্পতিবার ভারত শাসিত কাশ্মীরের পুলিশ ফাঁড়িতে জঙ্গি হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে।সূত্র:বিবিসি

মুম্বাইয়ে ভবন ধস: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০, উদ্ধারকাজ শেষ

Sunday, September 29th, 2013

baqqqনিউজ বিএনএন ডেস্ক: ভারতের বাণিজ্যিক নগরী মুম্বাইয়ে ভবন ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০-এ। আজ (রোববার) সকালে ধসে পড়া ভবনে উদ্ধারকাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ সকাল নাগাদ উদ্ধার কর্মীদের কাছে ভবনে বসবাসকারী ৯৩ জনের তালিকা পৌঁছায় এবং সে অনুযায়ী হতাহত সবার হিসাব মিলে যাওয়ায় উদ্ধার কাজ বন্ধ করা হয়। গতকাল ছয় ঘণ্টার প্রচেষ্টায় উদ্ধার কর্মীরা ভবনে চাপা পড়া ৫০ বছরের এক বৃদ্ধকে উদ্ধার করে। তবে তার পা কেটে ফেলতে হতে পারে বলে উদ্ধারকারী দলের প্রধান অলক আভাস্তি জানিয়েছেন।

শুক্রবার ভোরে এ ভবন ধসে পড়ে এবং গত ছয় মাসের মধ্যে মুম্বাইয়ে এটি ছিল এ ধরনের ভবন ধসের তৃতীয় ঘটনা। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ধসে পড়া ভবনটি ১৯৮০ সালে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি পৌর কর্মীদের কোয়ার্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। শুক্রবার ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে যখন ভবনটি ধসে পড়ে তখন এর বেশিরভাগ বাসিন্দা ঘুমিয়ে ছিলেন।

পেশোয়ারে এক সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয় বোমা হামলা: নিহত ৩৩

Sunday, September 29th, 2013

 নিউজ বিএনএন ডেস্ক: পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় পেশোয়ার শহরে আজ (রোববার) শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৩৩ জন নিহত এবং অপর ৮০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হতাহতদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে।
200e7033a0b831aea646e1f97dfd4_XLপেশোয়ারের অন্যতম ব্যস্ত কিস্‌সা খানি মার্কেটের কাছে অবস্থিত একটি পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ওই বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তবে ফাঁড়িটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। এ হামলায় একটি গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে বলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। শহরের লেডি রিডিং হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা ৩৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী  এ হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেনি। কিন্তু পাকিস্তানের কর্মকর্তারা এ ঘটনার জন্য তালেবানকে দায়ী করেছেন। গত এক সপ্তাহে পেশোয়ারে এটি তৃতীয় সন্ত্রাসী হামলা।
গত রোববার পেশোয়ারের একটি গির্জার বাইরে শক্তিশালী বোমা হামলায় ৮৪ জন নিহত হওয়া ছাড়াও ১৪০ জনের বেশি আহত হয়েছিল। এরপর গত শুক্রবার সরকারি কর্মচারীদের বহনকারী একটি গাড়িতে বোমা হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত এবং ৪৭ জন আহত হয়।

 

ফোন : +৮৮ ০২ ৯৬১ ৩৯৪২-৩, ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৮৬৫ ৩৪৬৫, মোবাইল : +৮৮ ০১৭১১ ৫২৯৯২৩, +৮৮ ০১৯২১ ০৭৬৪২৯, + ৮৮ ০১৯২৩ ৩৬৮২৯১ ।
 ইমেইল : 
newsbnn@gmail.com , editor@newsbnn.com, info@newsbnn.com,  ওয়েব : www.newsbnn.com

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো:মাহাবুবুর রহমান