Archive for the ‘পরিবেশ’ Category

দুই বছরে মিরপুর চিড়িয়াখানায় ৬৪টি প্রাণীর মৃত্যু

Sunday, May 19th, 2013

mirrrনিউজ বিএনএন ডটকম: রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানায় ৫৮ লাখ টাকা মূল্যের একটি গণ্ডার মারা গেছে। চিড়িয়াখানার আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য মোট এক কোটি ১৬ লাখ টাকা খরচ করে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মাত্র ১৩ মাস আগেই নিয়ে আসা হয় দুটি গণ্ডার। এরই একটি ছিল মারা যাওয়া গণ্ডারটি। বিদেশ থেকে আনা অন্য প্রাণীগুলোও রয়েছে ঝুঁকিতে। বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ছোট্ট ঘরটিতে নিঃসঙ্গ বসে আছে গন্ডার। গত বছর এপ্রিলে সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে উড়িয়ে আনা হয় ৪০ প্রজাতির প্রায় ২০০ টি প্রাণী। যার মধ্যে সাত বছর এবং পাঁচ বছর বয়সের এক জোড়া গণ্ডারও ছিল। বুধবার ভোর রাতে পুরুষ গন্ডারটি মারা যায়। মাত্র ১৩ মাসের মাথায় ভেঙে গেল তাদের সংসার। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, খাঁচার ভেতরে মারামারি করার কারণেই মারা গেছে পুরুষ গণ্ডারটি।

ভারপ্রাপ্ত কিউরেটর, মিরপুর চিড়িয়াখানা, মাকসুদল হাসান হাওলদার জানান, ভালো নেই বিদেশ থেকে আনা অন্য প্রাণীগুলোও। অরিক্সের একটি শিং ভেঙে গেছে। সাদা অ্যালবিনো সিংহ প্রায় সময় অসুস্থ থাকে। গ্রেটার কুদুসহ অন্যান্য প্রাণীদের শারীরিক অবস্থা বেশ নাজুক। এর আগে চিড়িয়াখানায় আনার কয়েক দিনের মধ্যেই মারা যায় একটি অরিক্স এবং  একটি গ্রেটার কুদু। এই সব ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে চিড়িয়াখানার ব্যবস্থাপনা এবং প্রাণীদের সঠিক পরিচর্যা নিয়ে।

তিউনিশিয়ায় নীরবে পরিবেশ বিপর্যয়

Tuesday, May 14th, 2013

p303,00নিউজ বিএনএন ডেস্ক:উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ার খুব বেশি সম্পদ নেই৷ কিন্তু ফসফেট রপ্তানিকারক হিসেবে পঞ্চম স্থানে রয়েছে দেশটি৷ সেখানকার বিভিন্ন রাসায়নিক কারখানায় ফসফরিক অ্যাসিড তৈরি করা হচ্ছে, যা ব্যবহার করা হচ্ছে নানাভাবে৷

এই অ্যাসিড দিয়ে প্রস্তুত হয় সার৷ এছাড়া খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ ও সফট ড্রিংকে ঝাঁঝালো স্বাদ বাড়ানোর জন্যও ব্যবহার করা হয় ফসফরিক অ্যাসিড৷ কিন্তু এসব প্রস্তুত করার সময় যে বর্জ্য বের হয়, তা অত্যন্ত বিষাক্ত৷ এতে হালকা তেজষ্ক্রিয়তাও থাকে, যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর৷

বিষাক্ত পদার্থের প্রাচুর্য

তিউনিশিয়ার উপকূলীয় শহর গাবেস এর সরকারি রাসায়নিক কারখানা থেকে প্রতিদিন ১৩ হাজার টন বিষাক্ত আবর্জনা সাগরে ফেলা হয়৷ প্রায় দেড় লক্ষ জনবসতির এই শহরটি পরিবেশ দূষণের এক নির্মম শিকার৷ অ্যামোনিয়ার বিকট দুর্গন্ধ বাতাসে ভরা৷ কারখানার কালো আঠালো তরল বর্জ্য বয়ে যায় সাগরে৷

গাবেস শহরের এক পুরুষ নার্স মোনধের জানান, ‘‘আগে রাতের খাবারে প্রায়ই মাছ থাকতো৷ সাগর এতো কাছে যে, কৃষকরা ক্ষেতে কাজ করতে গেলেই মাছ খুঁজে পেতেন৷ মাছগুলি ভেসে আসতো ডাঙায়৷ ছোটবেলায় মাছ ও বড় বড় চিংড়ির সঙ্গে সাঁতারও কেটেছি আমি৷”
গাবেস উপকূল

রাসায়নিক কারখানার দাপট

কিন্তু সত্তরের দশকের প্রথম দিকে একটি বড় রাসায়নিক কারখানা স্থাপন করা হয় গাবেসে৷ তারপর থেকে এই অঞ্চলে চাষাবাদ কমতে থাকে৷ সাগর থেকে উপকূলে ভেসে আসে কিছু মরা মাছ কিংবা যন্ত্রণায় মৃত্যু হওয়া কচ্ছপ৷

পাশের কারখানার চত্বরে দেখা যায় পাহাড় সমান উঁচু ফসফেটের স্তূপ৷ দেশের খনিজ অঞ্চলগুলি থেকে এসব আনা হয় গাবেসে৷ তারপর এগুলি রাসায়নিক পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করে সারা বিশ্বে পাঠানো হয়৷

ইতোমধ্যে অবশ্য পরিবেশ দূষণ কমানোর ব্যাপারে সচেতনতা বাড়ছে সেখানে৷ নেওয়া হচ্ছে নানা রকম উদ্যোগ৷ রাসায়নিক প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বিষয়ের দায়িত্ব রয়েছেন নুরেদ্দিন ট্রাবেলসি৷ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের যে পরিবেশসংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তা অস্বীকার করবো না৷ তবে এটাও বলতে হয় যে, কয়েক বছর ধরে কারখানাটিকে আধুনিকীকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে৷ এজন্য প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা৷ যার অভাব ছিল আগে৷ এখন বিপ্লবের পর সরকারও সহযোগিতা করছে আমাদের৷ এই সুযোগটা হাত ছাড়া করা আমাদের ঠিক হবে না৷”

পরিবেশ বাঁচানোর জন্য একটি প্রকল্প হলো, কারখানা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে একটি জায়গায় রাসায়নিক বর্জ্য মাটির নীচে জমা করা৷ কিন্তু কাছাকাছি গ্রামের মানুষজন এই খবরে ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নামছেন৷ প্রতিবাদ করছেন ব্যারিকেড দিয়ে৷ তাদের ভয়, তারাই এখন বিষাক্ত আবর্জনা ও তেজষ্ক্রিয়তার শিকার হবেন৷

প্রয়োজন প্রচুর অর্থ

এই প্রকল্পের জন্য ২০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ হবে৷ কিন্তু রাসায়নিক প্রতিষ্ঠানটির এতো অর্থ নেই৷ নানা সমস্যার ভারে জর্জরিত এটি৷ শ্রমিক ও কর্মচারিদের অনবরত ধর্মঘটের ফলে উত্পাদন প্রক্রিয়া প্রায়ই বন্ধ থাকে৷ তাই ক্রেতারা অন্যদিকে চলে যান৷ খোঁজেন নতুন মাল সরবরাহকারী৷ ফলে পরিবেশের জন্য অতিরিক্ত কোনো অর্থ থাকেনা৷

ট্রাবেলসি আশা করেন, এক্ষেত্রে ইউরোপীয় উন্নয়ন সাহায্য ব্যাংক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে৷ এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে বছর তিনেক লাগতে পারে৷ গাবেস শহর ও তার পাশের সাগরকে উঠে দাঁড়াতে হলে আরো অনেক বছর গড়িয়ে যেতে পারে৷ জানান গাবেস বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউটের প্রধান মোনিকা গুইজা৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘২০ বছর পর আমরা হয়তো প্রথম উদ্ভিদটি আবার এখানে দেখতে পাবো৷ হঠাৎ করে তা ঘটবে না৷ কেননা ক্ষতির পরিমাণ বিশাল৷ আমাদের সন্তানদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন সাগর রেখে যেতে পারলে ভালো হতো৷ কেননা এটাই গাবেসের সম্পদ৷”

শুধু সমুদ্রই নয়, চাষাবাদ ও মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও পড়ছে রাসায়নিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব৷ হচ্ছে অ্যাসিড বৃষ্টি৷ বিষাক্ত পদার্থ ভূগর্ভস্থ পানিতেও মিশেছে৷

নার্স মোনধের তাঁর কর্মক্ষেত্রে হাঁপানি, চর্মরোগ, ক্যানসার ও বিকলাঙ্গতা ইত্যাদির প্রাচুর্যতা লক্ষ্য করছেন৷ তিনি জানান, ‘‘মৃত্যুর হার প্রতি বছরই বেড়ে চলেছে৷ আজ যে শিশুটির জন্ম হয়েছে, সে ৪০ কিংবা ৫০ বছর বয়সে এমন সব অসুখে মারা যাবে, যা আগে প্রায় ছিলই না৷সূত্র:ডিডাব্লিউ

‘শীতলক্ষ্যাকে আর দূষিত হতে দেব না’

Sunday, May 12th, 2013

dddddনিউজ বিএনএন ডটকম:নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন_ জীবন, মৃত্যু, হায়াত, রিজিক, দৌলত সবকিছুর মালিক আল্লাহ। নারায়ণগঞ্জকে মুক্ত করার এখনই সময়। আমরা আর শীতলক্ষ্যাকে দূষিত হতে দেব না। শীতলক্ষ্যাতে লাশ পড়লে খুনিদের পড়বে, তবে তা জনগণের মাধ্যমেই। বীর মরে একবার আর কাপুরুষ মরে বার বার। তিনি বন্দরবাসীকে অন্যায়ের প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানান। নারায়ণগঞ্জের মেধাবী শিক্ষার্থী তানভীর মুহাম্মদ ত্বকির খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে শনিবার বিকালে বন্দরের বিলুপ্ত কদমরসুল পৌরসভার মাঠে সমাবেশে আইভী এসব কথা বলেন। সন্ত্রাস নিরমূল ত্বকি মঞ্চ এ সমাবেশের আয়োজন করেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন সন্ত্রাস নিরমূল ত্বকি মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাবি্ব। বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য সচিব ও নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হালিম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ ১৪ দল জেলা সমন্বয়ক ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মাসুম, জেলা সিপিবির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাসদের জেলা সমন্বয়ক নিখিল দাস, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিমাংশু সাহা, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল কাদির, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ ঘোষ বাবু, জিএম জব্বার চিশতী প্রমুখ।

আইভী অভিযোগ করে বলেন, নাসিম ওসমান এর আগেও একবার এই আসনের (শহর-বন্দর) এমপি ছিলেন। তিনি আপনাদের জন্য কিছু করেননি। ফেরি একদিন চলেই বন্ধ হয়ে গেছে। ডেমু ট্রেন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন আর তিনি নারায়ণগঞ্জে এসে ফুলের মালা নিয়েছেন। সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে।

সমুদ্রে মারাত্মক দূষণ বাড়ছে

Saturday, May 11th, 2013

bnnnনিউজ বিএনএন ডটকম:প্রশান্ত মহাসাগরে অভিযান চালিয়ে একদল বিজ্ঞানী আবর্জনার কুপ্রভাবের যে পরিচয় পেয়েছেন, তা দুশ্চিন্তার বড়ো কারণ৷ প্রানিজগতের উপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে৷

প্রশান্ত মহাসাগরের ঠিক মাঝখানে এক অভিযানে উত্তর অ্যামেরিকা আর জাপানের মাঝামাঝি সাগরের পানি থেকে মাছ নয়, প্লাস্টিকের আবর্জনা টেনে বার করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ তাঁদেরই একজন নিকোল আর্জিরোপুলোস৷ তিনি জানেন, মানুষের তৈরি আবর্জনা বাতাসে উড়ে, নদীর পানি বেয়ে সাগরে এসে পড়ে৷ তেমনই একটা বোতলের অংশ পেয়েছেন, যার ভিতরে কয়েকটা কাঁকড়াও বাসা বেঁধেছে৷

সাগরের স্রোতে এই প্লাস্টিক আবর্জনা প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝখানে এই সুবিশাল আবর্তে এসে জমা হয়৷ যেন জলের তলায় আবর্জনা ফেলার জায়গা! যেমন পুরনো মাছ ধরার জালগুলো জড়িয়ে-পাকিয়ে আছে৷ অভিযানের নেত্রী মেরি ক্রাউলি বলেন, ‘‘আমরা এখনও বুঝে উঠতে পারি না, এ সব জিনিস এখানে জমা হলো কি করে৷ দেশে কি বাড়িতে আমরা প্লাস্টিকের যা কিছু ব্যবহার করি, সবই সাগরের জলে পাওয়া গেছে: বিয়ারের কেস, নানা ধরনের বোতল, সেফটি রেজর, জুতো, টুথব্রাশ৷ প্লাস্টিকের যা কিছু আমরা ব্যবহার করে থাকি, তার সবই পাচ্ছি সাগরে৷”
সমুদ্র থেকে আজর্জনা তুলছেন বিজ্ঞানীরা

সহকর্মীদের সঙ্গে নিকোল এক দীর্ঘ যাত্রায় এসেছেন৷ ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রায় বারো’শ মাইল দূরে আবর্জনার আবর্ত থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থাটা কেমন, তিনি তা পরীক্ষা করে দেখছেন৷

ছাঁকনি দিয়ে গবেষকরা সমুদ্রের পানি ছেঁকে দেখছেন৷ এখানে যা পাওয়া যাচ্ছে, তার নব্বই শতাংশই প্লাস্টিক – সাগরের ঢেউ’এ আর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে অতি ছোট কণায় পরিণত হয়েছে৷ অ্যান্ড্রিয়া নিল আর তাঁর সতীর্থরা দেখছেন, জেলিফিশ কীভাবে প্লাস্টিক খায়৷

আরেক গবেষক আন্দ্রেয়া নিল বললেন, ‘‘এখানে আমরা প্রায় কোনো জীবন্ত প্রাণী বা উদ্ভিদ দেখছি না, দেখছি শুধু আবর্জনা৷ আবর্জনা পরিবেশের উপর কীরকম মারাত্মক প্রভাব ফেলে, সেটাই দেখছি আমরা৷”

জাহাজের ল্যাবোরেটরিতে বিশ্লেষণ করে এটাই প্রমাণিত হয় যে, এই আবর্জনা জীবজন্তু ও উদ্ভিদের ক্ষতি করে৷ প্লাস্টিকের অংশ ও কণাগুলিতে কীটনাশক কিংবা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ক্লোরাইড লেগে থাকে৷ সাগরে প্লাস্টিক আবর্জনার ফলে পরিবেশ তার ভারসাম্য হারাচ্ছে৷ অথচ সময় ফুরিয়ে আসছে৷

সাগরের ছোট ছোট প্রাণীরা যখন এই বিষাক্ত পদার্থ খায়, তখন ফুড চেইনের পথ ধরে সেটা শেষমেষ মানুষের খাদ্যেও দেখা দেয়৷ অভিযানের নেত্রী মেরি ক্লাউলি মনে করেন, সারা বিশ্বের মানুষকে সচেতন করে তুলতে না পারলে এই কাজ বৃথা৷ আর শুধু বসে বসে দেখা সম্ভব নয়৷

মার্কিন গবেষক দল আবার ক্যালিফোর্নিয়ার দিকে যাত্রা করেছেন৷ সেখানে তাদের কাজ হবে, সাগরে প্লাস্টিক আবর্জনা সমস্যার একটা সমাধান খোঁজা৷

সূত্র:ডিডাব্লিউ

ঊপকূলে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়

Saturday, May 11th, 2013

guniনিউজবিএনএন ডটকম: ভারত মহাসাগরে দুটি উষ্ণমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় উৎপন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারতের উত্তর-পূর্ব, শ্রীলঙ্কার পূর্ব, মিয়ানমারে এ দুটি ঘূর্ণিঝড় মারাত্মক আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী বুধবার বাংলাদেশ উপকূলে এ ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত আসতে পারে। এতে লাখ লাখ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত ও বিপুল সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার এবার পরিযায়ী পাখি

Thursday, May 9th, 2013

bnn-নিউজ বিএনএন ডেস্ক:জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাগরের পানির উচ্চতা বাড়ছে ক্রমশই৷ ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরণের সমস্যায় পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ৷ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরাও, বিশেষ করে পরিযায়ী পাখিদের নিয়ে৷

অস্ট্রেলিয়ার একদল বিজ্ঞানী বলছেন, সাগরের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় পরিযায়ী পাখিরা তাদের খাবারের স্থান হারিয়ে ফেলবে৷ ফলে হারিয়ে যেতে পারে বেশ কয়েকটি প্রজাতি৷

প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন পরিযায়ী পাখি রাশিয়া ও আলাস্কা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমায়৷ এই দীর্ঘপথ পাড়ি দেয়ার সময় মাঝখানের কোনো এক জায়গায় তারা বিশ্রাম নেয়৷ সে সময় তারা প্রয়োজনমত খাওয়া-দাওয়া করে পরবর্তী যাত্রার জন্য শক্তিও সঞ্চয় করে নেয়৷ কিন্তু সাগরের পানি বেড়ে গেলে এই জায়গাগুলো হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা গবেষক রিচার্ড ফুলারের৷ তিনি গবেষণা দলের একজন সদস্য৷

গবেষকরা বলছেন, উপকূল এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প চলার কারণে ও উপকূলীয় জমিগুলো কৃষিকাজে ব্যবহার করার কারণে এমনিতেই পরিযায়ী পাখিদের বিশ্রাম নেয়ার জায়গা কমে যাচ্ছে৷

আলাস্কা, রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাপুয়া নিউগিনি, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকায় জরিপ চালিয়েছে গবেষক দল৷

তাদের মতে, সাগরের পানি বেড়ে পরিযায়ী পাখিদের বিশ্রাম এলাকার ২৩ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেলে প্রায় ৭০ শতাংশ পাখি কমে যেতে পারে৷

দিনাজপুরে মধ্যরাতে ঝড়, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

Sunday, May 5th, 2013

মাহিদুল ইসলাম রিপন দিনাজপুর: দিনাজপুরে শনিবার ৪ মে দিবাগত গভীর রাতে হঠাৎ ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়েরর আভাস পাওয়ার সাথে সাথে বিদুৎ শুন্য করে দেয় দিনাজপুর বিদুৎ বিতরন বিভাগ।

শনিবার ৪ মে দিবাগত গভীর রাতে হঠাৎ রাত্রী আড়াইটার সময় পূর্ব দিক থেকে আসা পশ্চিম দিকে বয়ে যাওয়া একটি ঝড় আসতে শুরু করে। এসময় দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় কাচা বাড়ির টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে যায়। চলতি মৌসুমের আম-লিচু ব্যাপক ভাবে ঝড়ে পরে এতে করে আম ও লিচুর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ খবর লেখা পর্যন্ত ঝড়ে কারো মৃত্যুর খবর পায়নি বলে দিনাজপুর কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কাদের জিলানী জানান।

কার্বন নির্গমনের রেকর্ড মাত্রার আশঙ্কা

Thursday, May 2nd, 2013

5555_303,00নিউজ বিএনএন ডেস্ক:আইপিসিসি-র সূত্র অনুযায়ী পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা রেকর্ড ৪০০ পিপিএম ছুঁতে চলেছে৷ ফলে তাপমাত্রা বাড়ার গড় হারও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা৷ যার পরিণাম হতে পারে ভয়ঙ্কর৷

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা যে বেড়ে চলেছে, এ নিয়ে আর কোনো সন্দেহ নেই৷ তবে তার পরিমাণ যে এবার এক ভয়ঙ্কর মাত্রা ছুঁতে চলেছে, তা জানা ছিল না৷

সোমবার জাতিসংঘের জলবায়ু সংগঠন আইপিসিসি-র প্রধান ক্রিস্টিনা ফিগেরেস বলেন, সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ৩৯৯.৭২ পিপিএম, অর্থাৎ পার্টস পার মিলিয়ন৷ গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপে মওনা লোয়া অবজারভেটরিতে এই পরিমাপ করা হয়েছে৷ অর্থাৎ শীঘ্রই তা ৪০০ পিপিএম অতিক্রম করবে৷ মনে রাখতে হবে, ১৯৫৮ সালের মার্চ মাসে সেখানে যখন প্রথম বারের মতো পরিমাপের সময় কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ছিল ৩১৬ পিপিএম৷
আইপিসিসি-র প্রধান ক্রিস্টিনা ফিগেরেস

৪০০ পিপিএম – এই সংখ্যার একটা বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে৷ পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ার হার ২ থেকে ২,৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে হলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা ৪০০ পিপিএম-এর মধ্যে রাখতে হবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন৷ আইপিসিসি গোটা বিশ্বের নীতি নির্ধারকদের এই সতর্কতাবাণী দিয়ে আসছে৷ কিন্তু তাতে যে কাজ হয় নি, কার্বন-ডাই-অক্সাইডের সাম্প্রতিক প্রায় রেকর্ড-ছোঁয়া মাত্রাই তা দেখিয়ে দিচ্ছে৷ এই অবস্থায় আবার সরকার ও প্রশাসনকে নড়েচড়ে বসা উচিত বলে মনে করেন ফিগেরেস৷ বন শহরে সোমবার এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে৷

গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাত্রা কমিয়ে আনতে গত বছর ডিসেম্বর মাসে কাতারে এক দফা আলোচনায় কোনো ফল পাওয়া যায় নি৷ তারপর বন শহরে বসেছে পরবর্তী বৈঠক৷ ২০১৫ সালের মধ্যে নতুন এক জলবায়ু চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে, যা ২০২০ সালের মধ্যে কার্যকর হওয়ার কথা৷ তারই প্রস্তুতি হিসেবে কার্বন-ডাই-অস্কাইডের মাত্রা নিয়ে আলোচনা করতে হবে৷ একদিকে কার্বন নির্গমনের মাত্রা, অন্যদিকে কড়া বিধিনিয়ম – দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করেই গড় তাপমাত্রা বাড়ার হার দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখতে হবে – এমনটাই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন৷সূত্র:ডিডাব্লিউ

গরম হচ্ছে পৃথিবী, যাবেন কোথায়?

Wednesday, May 1st, 2013

hotনিউজ বিএনএন ডটকম:পৃথিবী আসলে কখনো এত গরম ছিল না৷ মানবজাতির ইতিহাসে কখনো এমন উত্তাপ দেখা যায় নি৷ অনেক হিসেব-নিকেশ করে সম্প্রতি গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন৷

বেশ বড় আকারে এই গবেষণা চালানো হয়েছে৷ এর জন্য প্রথমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ৭৩টি জায়গা থেকে জীবাশ্ম সহ কিছু বস্তু সংগ্রহ করা হয়েছিল৷ তারপর সেই সব তথ্য বিশ্লেষণ করে পৃথিবীর তাপমাত্রার একটা ইতিহাস রচনা করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ মোটামুটি ১১,০০০ বছর আগে শেষবার ‘আইস এজ’ আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত জলবায়ুর বিবর্তনের দিকে বেশি নজর দেওয়া হয়েছে৷

এই গবেষণার ফল বেশ চমকপ্রদ৷ তাতে দেখা যাচ্ছে, গত ৮০ বছরে পৃথিবীর উত্তাপ অবিশ্বাস্য গতিতে বেড়ে গেছে, যেমনটা তার আগের ১১,৩০০ বছরে দেখা যায় নি৷ আগামী কয়েক দশকে এই প্রবণতা আরও দ্রুত হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা৷ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সম্পর্কে যত মতভেদই থাকুক না কেন, প্রতিটি মডেলেই এই বাস্তব চিত্র ফুটে উঠছে৷

এতদিন ধারণা করা হতো, শুধু গত ২,০০০ বছর ধরেই তাপমাত্রা বেড়ে চলেছে৷ এবার ১১,০০০-এরও বেশি বছরের বিবর্তন বিশ্লেষণ করে আরও বড় একটা চিত্র পাওয়া গেল৷ আরও জানা গেছে, গত ৫,০০০ বছরের হিসেব অনুযায়ী তাপমাত্রা একদিকে ০.৮ শতাংশ কমেছে বটে, কিন্তু গত ১০০ বছর ধরে তা আবার হু হু করে বেড়ে চলেছে৷

এই প্রবণতা সত্যি হলে চলতি শতাব্দীর শেষে তাপমাত্রা ১.১ থেকে ৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে৷ কার্বন নির্গমনের মাত্রার উপর এর তীব্রতা নির্ভর করছে৷ তবে এই প্রবণতার পেছনে শুধু মানবজাতির কার্যকলাপ কাজ করছে না, পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে সম্পর্কের কিছু বিষয়ও এর অন্যতম কারণ৷
সূত্র: ডিডাব্লিউ

হারিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি ঝিরি-ছড়া-ঝরনা

Monday, April 29th, 2013

paharশহিদুল ইসলাম,রাঙামাটি থেকে: হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি ঝিরি-ছড়া-জরনা। পার্বত্যঞ্চলে এক সময়ে শত শত পাহাড়ি ছোট বড় ঝরনা, ছড়া, ঝিরিগুলো একে অপরের পরিপূরক ছিল। কিন্ত এখন কালের পরিবর্তনে হারিয়ে গেছে এসব গেছে ঝরনা ধারা।

জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উঞ্চতা বৃদ্ধি অব্যাহত বৃক্ষ নিধনের প্রভাবে ক্রমশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের অজস্র ছড়া, ঝরনা ও ঝিরি। কেবল ছোট ছোট ছড়া বা ঝরনাই নয়, প্রায় মরতে বসেছে বিখ্যাত গিরি নির্ঝও সুবলং ঝরনাও। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সুবলং ঝরনাকে গিরে পার্বত্যাঞ্চলে গড়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট। শহর থেকে ১৫-১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুবলং ঝরনা। প্রত্যন্ত বরকল উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান এই ঝরনার। ইতোমধ্যে এর দেশ-বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি ঘটেছে। এ পাহাড়ি ঝরনার শীতল ও চঞ্চলা জলধারা সব পর্যটককেই কাছে টানে।

ঝরনাগুলোর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপরুপ নৈসর্গিক সৃষ্টি। সমগ্র রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় অসংখ্য ছোট-বড় পাহাড়ি ঝরনা থাকলেও নয়নাভিরাম সব ঝরনার সমাবেশ বরকলের সুবলংয়েই দৃশ্যমান। কল-কল ঝরনাধারার পানিতে গা ভিজিয়ে আনন্দে হাপরিয়ে যেত অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু পর্যটক। গিরি নির্ঝও বড় ঝরনাটিসহ কাছাকাছি রয়েছে আটটি ঝরনার সমাবেশ। এ ঝরনাকে কেন্দ্র কওে বরকল উপজেলা প্রশসন গড়ে তুলেছে পর্যটন স্পট।প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু এ ঝরনার বর্ষাকালে অবিরাম জলধরার পতনে নিক্কন ধ্বনিসমেত অপরুপ দৃশ্যের অবতারণা সৃস্টি করে। তবে শুস্ক মৌসুমে ঝরনার জলধারা শুকিয়ে যায়।

একটা সময় সুবলং যাওয়ার পথে অসংখ্য ছোট-বড় ঝরনা দেখা যেত তা এখন কেবল স্মৃতি। জানা ঘেছে, ছড়াকে কেন্দ্র করেই একসময় গড়ে উঠেছিল ছোট ছোট আদিবাসী পাড়া। তাই পাহাড়গুলোর নামও ঝিরি, ঝরনা কিংবা ছাড়াকেন্দ্রিক নামে পরিচিত যেমন চোংড়াছড়ি, বড়ইছড়ি,কুতুবছড়ি,বগাছড়ি,মঘছড়ি,মানিকছড়ি,সাপছড়ি,বিলাইছড়ি ও ঠাকুরছড়া ইত্যাদি।

শুধু পাড়ার নাম নয়, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলার নামও ছড়াকেন্দ্রিক যেমন, মহলছড়ি,মাইচ্ছড়ি,খাগড়াছড়ি,সিন্দুকছড়িও বরুনাছড়ি। রাঙ্গামাটি শহর তেকে মাত্র সাত কিলোমিটা দুরের গ্রাম মগবান। এ গ্রামের এখন আর আগের মতো ছড়া-ঝরনা,ঝিরি নেই। রাঙ্গামাটি তেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে ঘাগড়া আর্মি ক্যাম্পের সামনে ছড়া, কাপ্তাই যাওয়র পথে তংচঙ্গ্যা পাড়ার সামনে দেবতাছড়া, বান্দরবান তেকে রুমা যাওয়ার পথে প্রায় ২৯ টি ছোট-বড় ছড়া ও জরনা, রুমা উপজেলায় লুংঝিরি, খাগড়াছড়ি জেলায় ঠাকুরছড়া, আলুটিলাসহ এমন অনেক ছড়া পাওয়া যাবে যা বর্তমানে মৃত। আবার রাঙ্গামাটি থেকে মহালছড়ি যাওয়ার পথে বগাছড়ি, কুতুবছড়ি, মানিকছড়ি, মহালছড়ি উপজেলায় চোংড়াছড়ি, সিন্দুকছড়ি, মাইচ্ছড়ি ও মুবাছড়ি ছাড়া। একসময় পাহাড়ি গ্রামের মানুষগুলো এসব ঝিরি দিয়ে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় পণ্যও পরিবহন করত; কিন্তু একন শুধুই কল্পনা।

 

ফোন : +৮৮ ০২ ৯৬১ ৩৯৪২-৩, ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৮৬৫ ৩৪৬৫, মোবাইল : +৮৮ ০১৭১১ ৫২৯৯২৩, +৮৮ ০১৯২১ ০৭৬৪২৯, + ৮৮ ০১৯২৩ ৩৬৮২৯১ ।
 ইমেইল : 
newsbnn@gmail.com , editor@newsbnn.com, info@newsbnn.com,  ওয়েব : www.newsbnn.com

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো:মাহাবুবুর রহমান