Archive for the ‘পরিবেশ’ Category

চলতি শতাব্দীতেই জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব

Wednesday, October 2nd, 2013

lopppনিউজ বিএনএন ডেস্ক:জলবায়ু পরিবর্তনের কুপ্রভাব নিয়ে তর্ক-বিতর্কের শেষ নেই৷ শুক্রবার জাতিসংঘের জলবায়ু সংস্থা আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে৷ অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহ, বন্যা ও খরা আরও ঘনঘন দেখা যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷
With a GPS to locate a point in the Bolivian Andes mountain Range, Bolivian glaciologist, or ice specialist, Edson Ramirez, measures the thickness of Bolivian tropical glacier Chacaltaya, near Bolivian capital La Paz, Dec. 6, 2004. Chacaltaya, a frozen storehouse of such water, will be gone in seven to eight years, said Ramirez, an evidence of the global warming. In the foreground, the snowy cap of the mountain is seen split in two, a phenomena seen for the first time ever, according to Ramirez.(ddp images/AP Photo/Dado Galdieri)

আইপিসিসি বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণ যে মানুষ, তা নিয়ে আর তেমন কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না৷ গত ৬০ বছরে উষ্ণায়নের অন্তত অর্ধেকের পেছনে মানুষের কার্যকলাপ কাজ করেছে৷ ৯৫ শতাংশ নিশ্চয়তার সঙ্গে আইপিসিসি এক পূর্বাভাষ দিচ্ছে৷ সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে৷ যেমন চলতি শতাব্দীর মধ্যে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা আরও ০.৩ থেকে ৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়বে৷ এর ফলে ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতাও ২৬ থেকে ৮২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে৷ সেইসঙ্গে অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহ, বন্যা ও খরা আরও ঘনঘন দেখা যাবে৷

আইপিসিসি-র বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন বিপর্যয় এড়ানোর চাবিকাঠিও মানুষের হাতেই রয়েছে৷ প্রথমেই জীবাশ্ম-ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবহার অবিলম্বে কমাতে হবে৷ আইপিসিসি-র প্রধান ক্রিস্টিনা ফিগেরেস শুক্রবারে প্রকাশিত রিপোর্ট-কে গোটা বিশ্বের জন্য অ্যালার্ম ঘড়ি হিসেবে বর্ণনা করেছেন৷ ২০১৫ সালে যে আন্তর্জাতিক চুক্তি নবায়ন হবার কথা, তাতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাত্রা আরও উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা উচিত বলে তিনি মনে করেন৷ জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুনও সব দেশের সরকারের উদ্দেশ্যে এ ক্ষেত্রে সক্রিয় হয়ে ওঠার ডাক দিয়েছেন৷
US Secretary of State John Kerry attends a joint press conference with the Russian Foreign minister in Geneva during their meeting on Syria’s chemical weapons, on September 12, 2013. Russian Foreign Minister Sergei Lavrov on September 12 said there was still ‘a chance for peace’ in Syria as he prepared for high-stakes talks with his US counterpart on a plan for Damascus to give up its chemical weapons. Before leaving for the talks in Geneva, Lavrov said during a visit to Kazakhstan that he was prepared to ‘ensure Syria’s adherence to the chemical weapon ban convention,’ which would include the country’s total disclosure of its chemical arms sites. AFP PHOTO / POOL / LARRY DOWNING (Photo credit should read LARRY DOWNING/AFP/Getty Images) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি আইপিসিসি রিপোর্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এক বিবৃতিতে বলেন, যারা বিজ্ঞানকে অমান্য করে অথবা কোনো পদক্ষেপ না নেয়ার পেছনে কোনো অজুহাত দেখায়, তারা আগুন নিয়ে খেলা করছে

এমন আহ্বানে কাজ হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে৷ ২০০৯ সালে কোপেনহেগেন শীর্ষ সম্মেলনে প্রায় সার্বিক ঐকমত্যের পর জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে আগ্রহ আবার কমে গেছে৷ বিশেষ করে শিল্পোন্নত দেশগুলি আপাতত আর্থিক ও অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে হিমশিম খাওয়ায় তারা গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে কতটা কাজ করবে, তা স্পষ্ট নয়৷

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিও আইপিসিসি রিপোর্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যারা বিজ্ঞানকে অমান্য করে অথবা কোনো পদক্ষেপ না নেয়ার পেছনে কোনো অজুহাত দেখায়, তারা আগুন নিয়ে খেলা করছে৷

বিশ্ব আবহাওয়া সংগঠনের প্রধান মিশেল জারো এই রিপোর্টের মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন, ‘‘আমাদের আজকের কার্যকলাপ সমাজের উপরও গভীর প্রভাব ফেলবে৷ আগামী প্রজন্মগুলিকেও তার ফল ভোগ করতে হবে৷”

গত ২৫ বছরে আইপিসিসি মোট চারটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে৷ প্রতিবার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের মাত্রা তাতে আরও তীব্র হয়ে উঠেছে৷সূত্র:ডিডাব্লিউ

বাংলাদেশে কমছে বন, বাড়ছে উদ্বেগ

Monday, September 30th, 2013

0,,16901971_303,00নিউজ বিএনএন ডেস্ক:তথ্যটা নতুন নয় এবং তা নিয়ে লেখালেখি ও আলোচনা হয়েছে বিস্তর৷ গত বছরই বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ বনানি উধাও হয়েছে এবং এই হারে চললে বাকি দশ শতাংশ উধাও হতে বেশি সময় লাগবে না৷
সুন্দরবন

মূল সমস্যাটা দৃশ্যত এই যে, বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠান বনানি সংরক্ষণের যে নীতি নিয়েছে, সেগুলির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরাট ঘাটতি রয়েছে৷ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে এটা সাধারণভাবে গুড গভরন্যান্সের সমস্যা৷ কিন্তু জলবায়ু ও পরিবেশ থেকে শুরু বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, এমনকি কৃষি ও খাদ্যসংস্থান অবধি, সব কিছুর উপর বনানি ধ্বংসের যে প্রভাব পড়ছে, পড়বে এবং পড়তে পারে, তার পরিপ্রেক্ষিতে বনানি সংরক্ষণের জন্য এখনই কিছু করা দরকার৷

কেন? বাংলাদেশে ফরেস্ট কভার অর্থাৎ রাজ্যাঞ্চলের তুলনায় বনানির অনুপাত বিশ্বের নিম্নতমগুলির মধ্যে পড়ে৷ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন এফএও-র ২০০৯ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মাত্র ৬ দশমিক ৭ শতাংশ জমি বনজঙ্গলে ঢাকা৷ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, পরিবেশ সংক্রান্ত আইনকানুনের দুর্বলতা এবং তা কার্যকরী করায় গড়িমসির কারণে বছরে দু’হাজার হেক্টার বনানি বিলুপ্ত হচ্ছে৷

সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট কিংবা গাজিপুরের শালবন, সবই বিপন্ন৷ অথচ ঠিক তার ফলেই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতিমধ্যেই মারাত্মক হয়ে পড়েছে – তা সে আইলা ঘূর্ণিঝড়ই হোক আর উপকূলীয় প্লাবনই হোক৷ অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টি, এমনকি নিয়মিত বাৎসরিক বন্যার সঙ্গেও বনানি নিধনের সংযোগ আছে৷ কাজেই সব মিলিয়ে দেশের কৃষি উৎপাদন প্রভাবিত হচ্ছে, যা কালে খাদ্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে৷

বনানি ধ্বংসের একটি কারণ জনসংখ্যার চাপ, এবং তা শুধু কৃষিজমির খোঁজেই নয়৷ বিশেষ করে সংরক্ষিত বন এলাকাগুলির কাছের মানুষেরা প্রথাগতভাবে অরণ্য থেকে ‘নন-টিম্বার ফরেস্ট প্রোডাক্ট’, বা কাঠ ছাড়া জঙ্গলের অন্যান্য পণ্য থেকে জীবনধারণ করে থাকেন৷ কাজেই সর্বাধুনিক চিন্তাধারা হল, স্থানীয় মানুষজনকে বৈধভাবে এনটিএফটি সংগ্রহের অধিকার দেওয়া৷সূত্র:ডিডাব্লিউ

হাঙর শিকার প্রবাল শৈলের জন্য হুমকি

Friday, September 27th, 2013

1qweনিউজ বিএনএন ডেস্ক:সমুদ্রের তলদেশে প্রবালের গা থেকে নিঃসৃত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে গঠিত হয় কোরাল রিফ বা প্রবাল শৈল৷ সেই শীলার জীবন অনেকটাই নির্ভর করে হাঙরের উপর৷ সম্প্রতি এমন কথাই বললেন অস্ট্রেলিয়া ও ক্যানাডার বিজ্ঞানীরা৷

অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মেরিন সায়েন্সের বিজ্ঞানী মার্ক মিকানের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া ও ক্যানাডার বিজ্ঞানীদের একটি দল প্রবাল শৈল নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন৷ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পশ্চিম উপকূলে সমুদ্রের তলদেশে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত প্রবালগুলো নিয়ে ১০ বছর ধরে পরীক্ষা করেছেন তাঁরা৷

বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টার করপোরেশন এবিসি-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে মিকান জানান, দীর্ঘদিনের এ গবেষণা থেকে তাঁরা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, যেসব অঞ্চলে বেশি হাঙর শিকার করা হয় সেসব জায়গায় প্রবাল শৈলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে৷

মিকান বললেন, এই সব শৈলের শাখা-প্রশাখার ফাঁকে আশ্রয় নেয় সামুদ্রিক প্রাণীরা৷ সেসব সামুদ্রিক মাছগুলো হাঙরের খাদ্য৷ আর ঐ মাছদের খাদ্য হলো এই প্রবাল৷
বিজ্ঞানীরা বলছেন, যেসব অঞ্চলে বেশি হাঙর শিকার করা হয় সেসব জায়গায় প্রবাল শৈলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে

হাঙরের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে খাদ্য শৃঙ্খলের মধ্যবর্তী প্রাণীটি, অর্থাৎ শিকারি মাছ যেমন স্ন্যাপারের সংখ্যা এসব অঞ্চলে অনেক বেড়ে গেছে৷ তাই তাদের খাদ্য শৈবাল বা প্রবালের পরিমাণ দ্রুত কমে যাচ্ছে৷ শৈবালগুলো প্রবালের ঝরে পড়া কোষের স্থান থেকে সৃষ্ট হয়৷ মাছ খাওয়ার ফলে ঐ শাখা প্রশাখাগুলো বেড়ে উঠতে পারছে না৷ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এদের সংখ্যা৷

মিকানের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে জলজ প্রাণীরা এমনই হুমকির মুখে রয়েছে৷ তাই হাঙর শিকার না কমালে খাদ্য শৃঙ্খলে বিপর্যয় দেখা দেবে৷ একেবারে নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে প্রবাল শৈল৷

মিকান বললেন, প্রবাল শৈলকে বাড়তে দেয়ার জন্য হাঙরের প্রয়োজন, যারা তাদের ত্রাতা হিসেবে কাজ করবে৷ এ কারণেই হাঙর শিকার বন্ধ করা উচিত৷ কেবল প্রবালের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যই নয়, সমুদ্র তলদেশের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষার জন্যও এটা ভীষণ জরুরি৷সূত্র:ডিডাব্লিউ

বর্ষায় শেষ বসন্ত শুরু

Wednesday, July 10th, 2013

ffনিউজবিএনএন ডেস্ক: ডুলিচাঁপা বাংলাদেশের একটি দুষ্প্রাপ্য ও বিপন্ন বনবৃক্ষ। প্রাকৃতিকভাবে ডুলিচাঁপা (গধমহড়ষরধ ঢ়ঃবৎড়পধৎঢ়ধ) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ে জন্মে, এমন তথ্য ছিল জে ডি হুকারের ‘ফ্লোরা অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া (১৮৭২)’ ও ডেভিড প্রেইনের ‘বেঙ্গল প্ল্যান্টস (১৯০৩)’ নামক পুস্তকে। কিন্তু গত কয়েক দশকে চট্টগ্রাম বিভাগের কোনো পাহাড়ে ডুুলিচাঁপা পাওয়া যায়নি এবং কেউ কোনো নমুনা সংগ্রহ করেছেন, তার কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি।
ডুলিচাঁপা চিরসবুজ বৃক্ষ। উচ্চতা ১০-১৫ মিটার। পত্রনিবিড় গাছ। পাতা বড়, ২০-৪০ সেমি লম্বা, আয়তকার, গাঢ় সবুজ। ফুল সাদা,
সুগন্ধি ও ৫-৮ সেমি চওড়া। বীজ ও কলমে চাষ। ফুল ফোটা শুরু হয় বসন্তে, বর্ষার প্রারম্ভেই ফুলের শুভ্রতা নিভে যায়।
নিসর্গী অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা মৌলভীবাজারের বড়লেখা এলাকার পাথারিয়া পাহাড়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পর কয়েকটি ডুলিচাঁপার সন্ধান পান। তারপর শুরু হয় চারা সংগ্রহ অভিযান। ২০০৬ সালে তার ভাইপো বনফুল শর্মা পাথারিয়া এলাকা থেকে দুটি চারা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠান। ২০০৭ সালের ১৫ জুলাই চারা দুটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল ও রমনা পার্কে রোপণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৯ ও ২০১০ সালে আমি সিলেটের জৈন্তাপুরে দুটি ডুলিচাঁপা গাছের সন্ধান পাই। জৈন্তাপুরের গাছ দুটি প্রাকৃতিক।
ডুলিচাঁপা প্রসঙ্গে দ্বিজেন শর্মা জানান, শৈশবে তার ভিষক বাবার কাছ থেকে পাথারিয়া পাহাড়ের অনেক গাছ চিনেছেন, ডুলিচাঁপা তিনি সেই শৈশব থেকেই চেনেন। কিন্তু এখন বৃক্ষটি সংখ্যায় একেবারেই কম। বিপন্ন এ উদ্ভিদটি টিকিয়ে রাখতে ইন-সিটু ও এক্স-সিটু সংরক্ষণ কৌশল প্রয়োগ করা জরুরি।

জীবজন্তু পাচাররোধে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ

Monday, July 8th, 2013

111নিউজ বিএনএন ডেস্ক: বন্যপ্রাণী তথা জীব-জন্তু পাচার সম্পর্কিত অপরাধ একযোগে মোকাবিলা করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত সহ দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশ।

অন্য দেশগুলো হচ্ছে- আফগানিস্তান, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ।
এ দেশগুলোর গোয়েন্দা বিভাগসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারি সংস্থা এ অঞ্চলে বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে একমত হয়েছে।

এ সপ্তাহের প্রথমদিকে জীবজন্ত পাচার সম্পর্কিত অপরাধ বন্ধে সহযোগিতার অংশ হিসেবে সাউথ এশিয়া ওয়াইল্ড লাইফ এনফোরসমেন্ট নেটওয়ার্ক (এসএডব্লিউইএস) বিভিন্ন সংস্থার এক বৈঠক ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (সিবিআই) সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে চারটি করে চিতাবাঘ শিকার করা হ্েচ্ছ এবং ২০১৩ সালের প্রথম ছয়মাসে ৪০টিরও বেশি বাঘ হত্যা করা হয়েছে- এমন রিপোর্ট গোচরে আসার পর এই বৈঠক আহ্বান করা হয়।

ইন্টারপোল- এর পরিবেশ অপরাধ কর্মসূচির আওতায় এতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কারিকুলাম বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ওয়াল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো (ডব্লিউসিসিবি) এবং ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটি (এনটিসিএ) সহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ গ্রহণ করেন।তারা কৌশলগত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

এ ব্যাপারে ভারতের পরিবেশ ও বনমন্ত্রী জয়ন্তী নটরাজান বলেন, “ভারতের ১৯৭২ সালের প্রাণী সুরক্ষা আইন যথেষ্ট নয়। প্রাণী সম্পর্কিত অপরাধ দমনে একটি সুনির্দিষ্ট আইন প্রয়োজন। ” তিনি বলেন, এই সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিতভাবেই এই অপরাধ দমনে সহায়ক হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এসএডব্লিউইএন- এর সদস্য দেশগুলো এই অপরাধ রোধে তথ্য বিনিময় ও পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করবে। সূত্র: বাসস

দিনাজপুরে জাতীয় মৎস সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী ও মাছের পোনা অবমুক্ত

Tuesday, July 2nd, 2013

tyমাহিদুল ইসলাম রিপন দিনাজপুর: দিনাজপুরে জাতীয় মৎস সপ্তাহ উপলক্ষে বণাঢ্য র‌্যালী ও মাছের পোনা অবমুক্ত কর্মসূচী অনুষ্ঠিত।

মঙ্গলবার ২ জুলাই জাতীয় মৎস সপ্তাহ উপলক্ষে সকালে দিনাজপুর জেলা মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে শিশু একাডেমী প্রাঙ্গন হতে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়।

র‌্যালিটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আহমদ শামীম আল রাজি। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পদক্ষিন করে।

র‌্যালী শেষে দিনাজপুর জেলা মৎস অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আহমদ শামীম আল রাজি ঐতিহাসিক রাম সাগরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

জলবায়ু সংরক্ষণে ওবামার আগ্রহ

Sunday, June 30th, 2013

0,,16908111_303,00নিউজ বিএনএন ডেস্ক:অ্যামেরিকা অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে৷ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমনকারী দেশের নেতা হিসেবে বারাক ওবামা নতুন উদ্যোগের ঘোষণা করেছেন৷

জলবায়ু সংরক্ষণের প্রায় সব উদ্যোগেই এতকাল বাধা সৃষ্টি করে এসেছে অ্যামেরিকা৷ এবার সেই দেশই চালকের আসনে বসতে চায়৷ প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছেন, বৈশ্বিক এই চ্যালেঞ্জের বৈশ্বিক সমাধান খোঁজার ক্ষেত্রে অ্যামেরিকাকে সাহায্য করতেই হবে৷
জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যা যে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক স্তরেই সমাধান করা সম্ভব, ওবামার ঘোষণার মধ্যে সেই উপলব্ধির প্রতিফলন দেখা গেলো৷ ২০০৯ সালে কোপেনহেগেন শহরে জলবায়ু সম্মেলনে ওবামা তাঁর ভাষণে কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন

শুধু কথায় নয়, হাতেকলমে তা করে দেখাতে চান ওবামা৷ প্রথমেই তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কার্বন নির্গমনের মাত্রা বেঁধে দিতে চান৷ কারণ বেশিরভাগ কেন্দ্রই কয়লায় চলে৷ দেশের কার্বন নির্গমনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের জন্য এরাই দায়ী৷ পাশাপাশি সৌর ও বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়াতে ওবামা প্রশাসন বড় আকারে উৎসাহ দিতে চায়৷ ওয়াশিংটনে জার্মান মার্শাল ফান্ড-এর পল ব্লেলডসো মনে করেন, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা৷ এর আগে অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলার লক্ষ্যে এতদূর যান নি৷ তাছাড়া চীন ও ভারতের মতো বড় কার্বন নির্গমনকারী দেশের সঙ্গেও এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করতে চান ওবামা৷

জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যা যে শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক স্তরেই সমাধান করা সম্ভব, ওবামার ঘোষণার মধ্যে সেই উপলব্ধির প্রতিফলন দেখা গেলো৷ যেমন চীন অ্যামেরিকার তুলনায় দ্বিগুণ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনায় তিন গুনেরও বেশি কার্বন নির্গমন করে৷ তাই এমন দেশকে শামিল না করলে কোনো সমাধানসূত্র খুঁজে পাওয়া কঠিন৷

২০০৯ সালে কোপেনহেগেন শহরে জলবায়ু সম্মেলনে ওবামা তাঁর ভাষণে কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন৷ ২০২০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমনের মাত্রা ২০০৫ সালের তুলনায় ১৭ শতাংশ কমানোর কথা বলেছিলেন তিনি৷ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করার জন্য ওবামার হাতে আর বেশি সময় নেই৷ দ্বিতীয় ও শেষ কার্যকালের বাকি সময়ে সব মহলকে সঙ্গে নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে তাঁকে যে বেশ বেগ পেতে হবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷ তবে ২০০৯ সালের তুলনায় এখন আর মার্কিন কংগ্রেসে বাধার সমস্যা নেই৷ ওবামার লক্ষ্য হলো৷ যে যত নির্গমন করবে, তাকে তত মাশুল গুনতে হবে৷
শুধু কথায় নয়, হাতেকলমে তা করে দেখাতে চান ওবামা৷ প্রথমেই তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কার্বন নির্গমনের মাত্রা বেঁধে দিতে চান৷ জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল ভবিষ্যতের কোনো কল্প-কাহিনি নয়

ওবামার ঘোষণার পরেও সমালোচনার সুর পুরোপুরি বন্ধ হয় নি বটে৷ অনেকে মনে করছেন, এই উদ্যোগ যথেষ্ট নয়৷ তবে ওবামা যতদূর এগিয়েছেন, তাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন বাকিরা৷ তাছাড়া দিনকাল বদলেছে৷ একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর অ্যামেরিকার মানুষও টের পাচ্ছেন, যে জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল ভবিষ্যতের কোনো কল্প-কাহিনি নয়৷ ওবামা তাঁর ভাষণেও সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন৷ বিরোধী রিপাবলিকান দলও আর আগের মতো প্রতিরোধ দেখাতে পারছে না৷সূত্র:ডিডাব্লিউ

মেহেরপুরে বৃক্ষমেলা

Saturday, June 29th, 2013

bmনিউজবিএনএন ডটকম: ‘গাছ লাগিয়ে ভরব এ দেশ, তৈরি করবো সুখের পরিবেশ’, ‘দেশি ফলে বেশি পুষ্টি, অর্থ খাদ্যে পাই তুষ্টি’-  এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে মেহেরপুরে ১০ দিন ব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে  মেলার উদ্বোধন করেন ।

পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক হমুদ হোসেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে গিয়ে শেষ হয়।

জেলা প্রশাসন সামাজিক বন বিভাগ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মেহেরপুরের উদ্যোগে এ বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

মেলায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের  ২৫টি স্টল রয়েছে।

মৌসুমী বায়ু সক্রিয়: বৃষ্টিপাত অব্যাহত

Friday, June 28th, 2013

aboনিউজবিএনএন ডটকম: আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত  রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল এবং সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা  হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সাথে রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ কথা বলা হয়।

এদিকে শুক্রবার রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ওপর  দিয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এটা বধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী  বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবলভাবে সক্রিয় রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সব্বোর্চ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে সীতাকুণ্ডে। সেখানে শুক্রবার ভোর ৬ টা পর্যন্ত ২২৭ মি মি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

নতুন প্রজাতির পাখির সন্ধান

Thursday, June 27th, 2013

untitled-7নিউজ বিএনএন ডটকম:কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে সম্পূর্ণ নতুন এক প্রজাতির পাখির (টেইলরবার্ড) সন্ধান পাওয়া গেছে। অরিয়েন্টাল বার্ড ক্লাব সাময়িকীতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নমপেনের বিস্তৃত সমতলভাগের ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকে এই টেইলরবার্ড। নতুন প্রজাতিটির নাম দেওয়া হয়েছে অর্থোটোমাস চাকটোমুক। ২০০৯ সালে নিয়মিত এভিয়ান ফ্লু (বার্ড ফ্লু) রোগের পরীক্ষা চলাকালে প্রথম এই প্রজাতির টেইলরবার্ডের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর নমপেনের আশপাশের এলাকায় আরও কয়েক প্রজাতির টেইলরবার্ড দেখা যায়। এদের পালক থেকে শুরু করে কণ্ঠস্বর ও প্রকারভেদ নিয়ে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায়, অর্থোটোমাস চাকটোমুক প্রজাতিটি অন্য সব টেইলরবার্ডের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।সূত্র: বিবিসি।

 

ফোন : +৮৮ ০২ ৯৬১ ৩৯৪২-৩, ফ্যাক্স : +৮৮ ০২ ৮৬৫ ৩৪৬৫, মোবাইল : +৮৮ ০১৭১১ ৫২৯৯২৩, +৮৮ ০১৯২১ ০৭৬৪২৯, + ৮৮ ০১৯২৩ ৩৬৮২৯১ ।
 ইমেইল : 
newsbnn@gmail.com , editor@newsbnn.com, info@newsbnn.com,  ওয়েব : www.newsbnn.com

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো:মাহাবুবুর রহমান